T3 || নারী দিবস || সংখ্যায় সুমন কয়াল

বলি
যে মেয়েটি
ফুলে ফুলে চুমো দিয়ে ঠোঁটটি রাঙাতো
ফুল-সাজে ফুললাজে কত না সাজতো
কত মেয়ে রূপের গান গাইতো
অপরূপ রূপের গান গাইতো
ফুলপরী ফুলরানী নামে ডাকতো,
সেই মেয়েটি অন্ধগলিতে
কুৎসিত হলো,
পাঁপড়ি ছিঁড়ে বৃন্ত ছিঁড়েই শুকিয়ে মরলো !
যে মেয়েটি
ভোরবেলা ফুলে ফুলে ঝাঁপিটি ভরতো
জগতের কামনায় নয়ন ঝরতো
কত প্রাণ স্নেহ পেতে আকুল হতো
সুধাময়ী প্রাণদায়ী কেহ ভাবতো,
সেই মেয়েটি আজ ডাকুরানী
পালটে গেলো,
মও নেশায় রক্তযজ্ঞে
কেমনে মাতলো !
যে মেয়েটি
হাসি গানে তামাশায় মাতিয়ে তুলতো
সবায়ের মনো ব্যথা ভুলিয়ে রাখতো
শ্মশানেও নানা ফুল ফোটাতে পারতো
হাসিরানী খুশিরানী খুশিতে ডাকতো,
সেই মেয়েটি পাগলা-গারদে
মানা গেলো না,
কী ফল্গুধারা বুকে ছিলো চাপা
জানা গেলো না!
এমনি কোরে ক’জনার কথা বলো হায় বলি
গানে গানে সুরে সুরে রঙে রঙে ফুলে ফুলে
ক’জনার কথা আমি হায় বলি,
কত নারী যে হারায়
কত যে শত হয় বলি,
কামনার চিতায় হায়
জীবনের ফুল শুকায়,
সময়ের স্রোতে হায়
কত ফুল ভেসে যায়!
কিছু ব্যথা কিছু সুর
কবি মনে রেখে যায়।
সে ব্যথায় কেঁদে কেঁদে বলি
এ আমার শ্রদ্ধাঞ্জলী !!