T3 || প্রভাত ফেরি || বিশেষ সংখ্যায় সুতনু হালদার

সেইসব গুপ্ত কথামালা

হে বাতাস–
একমাত্র তুমিই চিনেছিলে
ওই চিরসবুজ গাছের
অজস্র পাতায় ঘেরা এক নিশ্চিন্ত আশ্রয়

যেদিন প্রথম গেলাম কপায়
অপরাহ্নে রুফটপে বসে
দেখেছিলাম মস্ত এক মেঘ
কিশলয় ঘেরা আকাশের
প্রতিটা বাঁকে আন্তরিকতার স্পর্শ

এক লহমায় বিচ্ছুরিত হ’ল
শুভ্র জ্যোর্তিময় প্রভাতপুরুষ
প্রারম্ভিক সেই অধুনান্তিক পরিচয়
হাঁটতে শুরু করল–
নদী থেকে আকাশ পথ
পেরিয়ে এলো আলপথ
পেরোলো রাজপথকেও

আপডেটেড শক্তির তরুণ সুনামী
মায়াবী জাদুদণ্ড হয়ে উঠল
সেই উচ্ছ্বাসে বাতাস মাতোয়ারা হ’লে
নদী ছলাৎছল ভেসে উঠল….
ছুটে বেড়ানো ছোট-বড় ঢেউগুলোর
পদযুগল একসঙ্গে কাঠের আর ঘোড়ারও
তারা নোটবুকে চিরসবুজ অক্ষরে সাক্ষাৎকার দিলো

এরপরেও রোমকূপ জুড়ে থেকে যায়
এক ভরপুর উন্মাদনা
‘বারুদ নামক এক বিস্ফোরক পদার্থের সহ্যসীমা’-য়
গাছটির আশ্রয়দান ক্রমশই গগনচুম্বী

এক সময় ‘রুমালের সৌখিনতা জেনে’
শৈশবকে কোলে তুলে নেয় আপন ইচ্ছায়
সেখানে কোনও ভাঙা আয়না
কিংবা জাফরান ভয় থাকে না

সেই প্রভাতে জলের নাসারন্ধ্র
সন্তরণপ্রিয় বাতাসে
নীলকন্ঠ পাখি হয়ে যায়…

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।