T3 || লক্ষ্মী পুজো || সংখ্যায় সুদীপ ঘোষাল

কোজাগরী
কোজাগরী ভোরে, কিশোরীর মত খেলায় মাতে
শিশির ও ঘাস, সোহাগে আদরে ভরে যায় বেলা
দরজা ঘাটের বুকে জলের উপর
শালুকের আদর মাখে পানকৌড়ি পাখি
জলে ছায়া পড়ে ভাসে বাঁকা তালগাছ
কোনো এক কিশোর, তালগাছে নামে
জল ছুঁয়ে দেখে যায় জীবন,আয়নার মত
মায়ের সাঁতার দেখে কিশোরীর বেণী
ভিজে চাতকের মত ডুব দেয় জলে
আজ গ্রাম্য বনলতা দোলে ভীষণ খুশিতে
আরও কত গাছ সবুজ আদরে পুকুরের পাড়ে
আরও কত কিশোরী খেলে প্রথম আবেশে ,ঝোলঝাপটি
শেষ থেকে শুরু হয় মানুষের মায়া
কৈশোর খুঁজে পাবে শালিকের ভিড়ে,কোজাগরী রাতে
পৌষ পার্বণে,ঘেঁটুফুল বনে,নবান্ন উৎসবে ।আমগাছ,জামগাছ যেন ,কৈশোর ঝাঁপি হেন
কতস্মৃতি ধরে রাখে মায়ার আবেশে
চড়ুই পাখির মত হারিয়ে যাব একদিন
বসুধার যত মায়া ছেড়ে।
তবু কোজাগরী রাত ফিরে ফিরে বলে
কে জাগো আজ রাতে।