হৃদয় নীরবে সইবে কত
সযতনে তোমাদের নিক্ষেপিত লাঞ্ছনার বাণ যত!
পথের ধার ধরে খসে পড়ে থাকা ফুলের যত পাঁপড়ি
হাতে তুলে ধরে লালন করে দেয় কি বলো কেউ আজ তাদের হারানো প্রাপ্য স্বীকৃতি?
অর্থস্তূপের উদ্ধত আস্ফালনে প্রতিনিয়ত নিষ্পেষিত হতে থাকা
আমারও ন্যায় এমন অগণিত সব জীবন চেয়ে দেখো নিরন্তর চাইছে কেবল একটু নিষ্কৃতি।
অর্থসম্পদমাপক দাঁড়িপাল্লায় শ্রেষ্ঠত্ব নির্ণায়ক প্রতিযোগীতায় সকলের নয়নের মণি যেন আজ হয়েছে এসে স্থির ঐ পাল্লা কার তরফে রয়েছে ঝুঁকে!?
সেই ভীড়ে মাথা খুঁজে পাবে না কেউ আমার ; আমি আপনসৃষ্টি হরণের ভয়ে সন্তর্পণে ঘরের এককোণে বসে আঁকড়ে তারে রেখেছি ধরে নিজেরই বুকে।
যতই করো হেয়; না হয় আমারে এভাবেই দমিয়ে রাখতে চেয়ো,
বিষবিত্তের এই চাবুক বিজলির মতন ঘুরিয়ে যত করবে অন্তরে আমার নির্মম প্রহার
জেনে রাখা শ্রেয় ; সইবে না আর অন্তরাত্মা তোমাদের এই আঘাত,
নীরব প্রতিবাদের ভাষাস্বরূপ বলিষ্ঠ লেখনীতে ততই হতে থাকবে আমার এই অমূল্য কলমটি ক্ষুরধার।