কবিতায় স্বপন গায়েন

উলঙ্গ উপত্যকা
উলঙ্গ উপত্যকা ভেঙে চুরমার হয়
দুঃখের রোদে পুড়ে যাচ্ছে সর্বনাশীর শরীর
মাটিতে চিরকাল মায়াবী গন্ধ পাবে
কুমারী শরীরের গন্ধ যেন সর্বগ্রাসী আগুন।
বুকের দোপাট্টা খুলে নেয় এক লহমায়
রাস্তার নিয়ন আলো ঝিমিয়ে পড়েছে –
নারী শরীর এখনও জেগে আছে অনাগত অতিথিদের জন্যে
বৃথা জন্ম, হৃদয় থেকে হারিয়ে গেছে রামধনু রঙ।
বৃষ্টি নেমেছে মধ্যরাতে, শরীর ভিজছে
চোখের জলে লেখা হয় উলঙ্গ উপত্যকার কাব্য
নারী শরীরের পাণ্ডুলিপি ক’জন পড়তে পারে?
অবক্ষয়, নাকি আধুনিক সভ্যতার বিকলাঙ্গ রূপ।