এই যেন সেইদিন হাতের ওপর হাতটি রাখবার ছলে,
পানপাতাতে মোড়া লাজের অন্তরাল হতে হৃদয়হরণ খেলা চলে।
উত্তুরে হিমেল হাওয়ার মায়াবী আবেশে বাঁধা পড়েছিল সেদিন মনযুগলের যে গাঁটছড়া,
আজও খুঁজে চলে চপল সে দুই চিত্ত একে অপরের নির্বিদ্ম আশ্রয় হয়ে পাগলপারা।
অগ্নিসাক্ষী রেখে বাধাবিপত্তির দুস্তর পারাবার অতিক্রমণ করে সূচনা হয়েছিল তোমাদের যে পথচলা,
বিরল সে বোঝাপড়ায় অক্লেশে কপোতমিথুনের কেটে গেল পঁচিশটা বছর ; নয় এ কাহিনী মিছেবলা।
প্রবহমান কালের দুর্বার স্রোত নিরন্তর বয়ে নিয়ে চলেছে মুহুর্তবিতানভেলা ,
পূবাকাশে প্রদ্যোতিত রবিও আজ সকলের সাথে মেতেছে প্রমোদে ; দেখতে পুণরায় চিরন্তন দুই অন্তরের মিলনমেলা।
মনের মণিকোঠায় আজও উদ্ভাসিত হয়ে রয়েছে তোমাদের সামীপ্যে অতিবাহিত আমার মধুর স্মৃতিবিজড়িত শৈশব —
মনে কি পড়ে রঙীন সেই সকল দিনগুলিতে ভালোবাসা আর মমতার তুলির টানে আমার মধ্যেই যেন রচেছিলে তোমাদের মানসপুত্রের অবয়ব।
নিজ অগোচরেই কখনও বা তোমাদের করেছি অতিশয় হতাশ; তবু থাকেনি কখনও এতটুক অপূর্ণ তোমাদের স্নেহাধার,
পূর্ণ হোক চাই আমার নিখাদ এ মনস্কাম — ‘সময়ের ডালি প্রেমের আতরে ভরিয়ে নিয়ে জীবনে এমন মধুর পঁচিশ; আসুক বারেবার’।