কবিতায় শুভজিৎ দাস দাঁ

পুড়ে যাই কালসর্পদোষে
যখন উপচে পড়ে প্রদীপের আলো,
শিখার ভেতরে ডুবে যায় দুঃখবিলাসিনী নদী,
থেমে যায় জল-নূপুরের নিক্বণ,
কলসে স্ফুলিঙ্গ ভরে স্রোতের বিপরীতে ভেসে আসে আগুনের স্বরলিপি-
জানবে, তখন পুড়তে হয়,
মন না চাইলেও নিয়তির অমোঘ নিয়মে সরীসৃপের মতো নেমে আসতে হয় প্রেতযোনি বেয়ে।
গল্পটা শেষ হয় না,
অক্ষরের বুক, নাভি থেকে অভিমানী রূপকথার জন্ম হয়,
অলীক ছায়াপথের দিকে হেঁটে যেতে যেতে জাতিস্মর হয়ে ওঠে চতুর্দশী অন্ধকার…
মোমবাতির ভ্রূক্ষেপহীন শিখায় ঝুলে থাকে স্মৃতি,
অমাবস্যার ঘোর পান্ডুলিপিতে মিশে যায় নির্বাক নির্জনতা।
অনন্তরমণে রাত যতোবার অহংকারী হয়
আমিও ততোবার পুড়ে যাই- অব্যর্থ কালসর্পদোষে।