T3 শারদ সংখ্যা ২০২২ || তব অচিন্ত্য রূপ || বিশেষ সংখ্যায় সুজাতা দে

বংশ ধ্বনি
মেসেজটা ঢুকল বল্লরীর মোবাইলে।
-চলো বৃষ্টি ভিজি।
ব্রিট টু বিল্ডিংয়ের সেকশনাল বস পি সি স্যারের হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ এটা। ডিপিতে গোলাপের তোড়ার চারপাশে ব্রিট কার্গো শিপিং এর লোগো। বল্লরী মাত্র একমাস আগে জয়েন করেছে এখানে। মোটা অঙ্কের স্যালারি।
একটু আগে আননোন নাম্বার থেকে কলটা এসেছিল।রিসিভ করেনি বল্লরী,কিন্তু কলার আইডিতে নামটা দেখেছে প্রদোষ সেন। একটু পরে হোয়াতে খুঁজতেই ডিপিতে ব্রিট কোম্পানির লোগো। ইনি নির্ঘাত ওদের জেনারেল ম্যানেজার পি সি স্যার। বল্লরী মুখার্জি ব্রিট ফোর বিল্ডিংয়ের পাঁচতলায় বসে। ওর সেকশন আলাদা। ওর বস এঞ্জেলিনা ম্যামর কাছেই শুনেছে ডাকাবুকো পি সি স্যারের কথা।
আবার মেসেজে চিন্তাসূত্র ছেঁড়ে বল্লরীর।
সুন্দরী তোমার মা প্রীতি মুখার্জিকে তো দেখলাম,তুম তো পিকচার কে পিছে রহে গ্যায়ে। কাল দেখা হোক আমাদের?
আসবে?
মা প্রীতি আর হারিয়ে যাওয়া পিতা প্রতুল ওর প্রাণপ্রিয়। ওদের নামে স্থির থাকতে পারেনা বল্লরী। ইতস্তত হাতে টাইপ করে ..
– হুমম
আফটার অফিস আমার গাড়ি অপেক্ষা করবে তোমার জন্য ব্রিট ফোর বিল্ডিংয়ের নীচে সন্ধ্যা ছটায়।ওকে?
– ওকে স্যার।
– দ্যাটস লাইক আ গুড গার্ল,গুড নাইট বেবি।
– গুড নাইট স্যার।
ফোর স্টার হোটেলের কফি লাউঞ্জ থেকে কিভাবে হোটেলরুমের বিছানায় এল বল্লরী! প্রদোষ সেন ওর স্তনে কামড় বসাতে যেতেই ধস্তাধস্তিতে বুকের লকেটা দুভাগে খুলে গেল। ভিতরে বল্লরীর বাবা মায়ের ছবি। নিজের যৌবনের ছবিটা দেখেই চিৎকার পি সি স্যারের কে তুমি!