কবিতায় সৌমেন দত্ত

ভাঙনের পাড়ে
চলতে চলতে
অনেকটা ক্লান্ত, অনেকটা পথ এখনও বাকি,
রোজই হাঁটি, হয়তো সেই পথ চলাটাও মঞ্জিলের নয়,
রোজ একটু করে ছুঁই, আবার দূরত্ব বাড়ে, ভাঙে,
ভাঙা ইচ্ছেগুলোকে ফুলদানিতে ডুবিয়ে রাখি,
পচে যায়, খুঁজে পায় না আর।
চোখ রাখি আয়নায়,
ভেসে যেতে দেখি ইচ্ছার নৌকা,
স্বপ্নের পাড় ভাঙে, কেউ শব্দ পায় না।
যৌবন হামাগুড়ি খায় ঘূর্ণিপাকে, ছেঁড়া পালে।
পথে বেড়িয়ে রোজ রোজ দেখি,
আলতো ছুঁয়ে আবার বেড়িয়ে আসি সম্পর্ক নামক ছাদ থেকে,
ভাঙনের শব্দে মাতোয়ারা এই শহর,
মধ্যবিত্তের স্বপ্ন খাঁচা ছেড়ে পাখির মতো উড়ে যায়।
চোখের পাতায় কর্তব্যের কালো দাগ,
শিরায় শিরায় ডিপ্রেশনের রেলগাড়ি,
ভ্রাম্যমাণ স্বপ্নের ঠিকানা, কখন কোথায় হারিয়ে ফেলি, চোখ খুলে দেখি গাঢ় অন্ধকার।
যখন বেখেয়ালি হয় মনের চড়ুই,
হেসে খেলে উড়ে বেড়ায় নিজ খেয়ালে, পথ ভুলে ডানা মেলে,
অনেক গুলো হাত, অনেক গুলো চাওয়া, মুঠোমুঠো অপেক্ষার বালি,
যেন তৃষ্ণার্ত চাতক,
অস্তিত্বের বাঁধে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব,
কেউ যেন ডাকে, কেউ যেন হাত বাড়িয়ে..”ক্ষান্ত হয়ো না শান্ত হও”,
ভুলে যায় এ্যাম্বিশনের দেওয়ালে ডিপ্রেশনের অদেখা ছাপ।