সাত বছরের বিবাহিত জীবনে নিঃসন্তান শিরিন রোহিতকে গেম নিয়ে সারাক্ষণ মাতামাতি করতেই দেখেছে। বাধা দেওয়ায় প্রচুর ঝামেলা হয়েছে। ওদের দাম্পত্য জীবনে এই মোবাইল গেম ঢুকে স্বাভাবিক ছন্দটাকে নষ্ট করেছে। অফিস থেকে ফিরেই গেমে ঢুকে পড়ে রোহিত। কত্তো টাকা নষ্ট করছে গেমে লাগিয়ে! অথচ খরচের বাহানায় আই ভি এফ করাতে চায় না! সংসারে একটা সন্তান থাকলে এমন হোতোনা,বলেন শিরিনের মা। আর ওদিকে একের পর এক জব চেঞ্জ করে চলেছে রোহিত।
কমলা,তোদের বস্তিতে গরীব দুঃখীর বাচ্চা পাওয়া গেলে মানুষ করতাম! নিত্যদিন সন্ধ্যায় মদ খেয়ে দুই কন্যার মা কমলাকে পেটাতো স্বামী নন্দ। অভাবের সংসাত চলত কমলার রোজগারে। বদলি লোক দিয়ে কমলা হাসপাতালে। আজ হঠাৎ দুচোখে জল নিয়ে যমজ দুই কন্যাসন্তান কোলে; শিরিনের দরজায় হাজির।
বৌদিমণি এদের নিয়ে আমারে উদ্ধার করো। নন্দ আর মেয়ে নেবেনা বলতেছে।
সেকিরে!এক আলো হাসিমুখ নিয়ে শিরিন দুহাতে কোলে তুলে বুকে জড়িয়ে নেয় শিশুদুটোকে।