আমাদের দুটো ঘরের মাঝখানের বিশাল বারান্দাটায়
রোদের আলো পড়েনা বহুযুগ…
বারান্দাটা বৃষ্টিতে কুয়াশায় স্যাঁতস্যাঁতে..
এখানে ওখানে শ্যাওলা জমা অন্ধকার।
বহুকাল আগে একটামাত্র ছোট্ট ঘরে ছিল
আমাদের গোপন গেরস্থালি।
সারাদিন রোদের আলো জাফরী কাটতো
আমাদের সোহাগমাখা খাটে…
ভালোবাসার আগুন তাতে সেঁকে ফেলতাম
খিদের মুখে কবিতার শুকনো রুটি,
তারপর ঘর বড় হল…
অনেক অনেক বড় বাতানুকূল
যন্ত্রের দয়ায় আজ সূর্য ব্রাত্য,
তবু তুমি আমি নিজেদের বৃত্তে বসে
অপেক্ষা করি এটা রোদেলা দিনের…
তোমায় ছোঁয়ার জন্য হাত বাড়াতে গিয়ে গিয়ে বুঝি
আমার থেকে তোমার ঘরের দূরত্ব আজ এক আলোকবর্ষ ।
২| শেষ সম্বল
তোর উজানে বইতে গিয়ে খড়কুটোতেই আমার যাপন,
এগিয়ে চলা সমস্ত দিনভর,
ও ছেলে তুই থামতে জানিস?
ঢেউয়ের মত দুহাত তুলে..
শক্তহাতে বাঁধতে পারিস ঝড়?
রাত হয়েছে ,স্রোতের শেষে দীঘল নদী পেরিয়ে
এসে শান্ত ডাঙায় বাঁধবো এবার ঘর.