T3 || ভ্যালেন্টাইনস ডে ও সরস্বতী পুজো || স্পেশাল এ সুজাতা দে

ভালোবাসাও এক অভ্যাস

উপর থেকে পরিপাটি
সাজানো ঘর সংসার
দেখতে ভালো লাগে খুব।
সুখী সুখী মুখ,সুপ্রতিষ্ঠা, সুসন্তান দেখে
আহা বেশ বেশ, বলে লোকজন..
নিজেদের কাছে নিজেদেরই কখনো
উন্মোচিত করা হয়নি সেভাবে…।
তাই ঘরদোর সাফসুতরো খুব;
দাম্পত্যের ঝুল কালি ঢেকে ঢেকে রাখি।

অভিমান স্বাভিমানে লড়াইয়ের খেলায়
আত্মগ্লানিতে পোড়েনাতো বুক;
অবহেলারাজ-অপমানের চেয়েও কঠিন।
আত্মসম্মানে দগদগে ঘা নিয়েও হাসিমুখে
বলতে হয়- এইতো বেশ ভালো আছি।
পাখিপড়া করে শেখায়নিতো কেউ
তবু কার অসম্মান কিভাবে যেন আড়ালে রাখি!
এর নাম বুঝি ভালোবাসা!

দিন যায়,বেলা পড়ে আসে-
কেন যেন স্বাগত নয় সবকিছু ;
জেনে বুঝেও অস্বীকার কি এক ধরণের অসুখ?
এতো আসলে নিজেকেই ধোঁকা দিয়ে
বোকা বানানো,একপ্রকার।
প্রেশার সুগার কোলোস্টোরেল
অনিয়মের আর অভিমানের অভিযোগে
অসুখ বাসা বাঁধে ধীরে-
কখনো শরীরে,কখনো মনে।

যেমন বয়স লুকাতে চেয়ে
ওবাড়ির শীলাকাকীমা চড়া মেকআপে
লোলচর্ম কোঁচকানো মুখ
ঢেকে রাখে সারাক্ষণ।
সেও কি নিজ যৌবনকেই ভালোবেসে?
মুখোশহীনতা গ্রহণীয় হলে
কার ক্ষতি; কার লাভ বেশি –
রূপের না রূপকারের?

এই মেনে নেওয়া- নাকি মানিয়ে নেওয়া-
ভালোবাসা শব্দের উচ্চারণে ঘৃণা এসে গেলে;
কি নিয়ে নতুনভাবে বাঁচে মন, বাঁচে মানুষ!

আমরা কি আসলেই অভ্যাসের দাস!
কে যেন কোথায় কবে বলেছিল;
“ভালোবাসা”-ও আসলে এক অভ্যাস।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।