দিব্যি কাব্যিতে শাল্যদানী

মর্দিনী

খাদ্যাভ্যাসের মতো প্রেমিকা তোমায় অভ্যেস করেছি।
সঙ্কটের পাশে রোদ পড়েছে
যেন বিকেলবেলা
সাইকেল নিয়ে বেড়িয়ে পড়েছি একা

তখন দুপুরটা প্রেমিকার বুক বরাবর কোথায়
যেন নেমে গেছে কেদার বদ্রীর মাঝের খাত বেয়ে।
সেই সকালটা জানে বেড়িয়ে পড়েছি না খেয়ে
বাতাসা বাতাসে ভৈরবী গেয়ে গেয়ে

যবনের যবনিকা পতন হয় না কোনও কালে
আমি মানি, আমার মনও মানে
শুধু মীন মানে না,
রাশি বা অবতার
মিলেমিশে একাকার
আমার প্রেমিকা জানে না

ঠাকুরদালানে সাঁঝেরবাতি হাতে প্রেমিকা তখন
মায়ের দেখানো সংস্কারে সংস্কারী
ওর সাথে দিনের আলোর চিরকালের আড়ি।

ফেরার পথে সাইকেলটা খুইয়েছি
এক ছিলিম তামাকের ধোঁয়ায় পথ হারিয়ে,
ধুনোর গন্ধেগন্ধে আমিও কখন একপেশে ঠাকুরদালানে
প্রেমিকা কি তা জানে!
ওর উদাসী শাঁখের আওয়াজ তখন ব্রহ্মকমল ফোটাচ্ছে
আর আমি দিব্যি বড় ঘণ্টাটা বাজিয়ে চলেছি এক ভাবে,
সেই কবে থেকে!

একা আমিই সাক্ষী শুরুর থেকে
দিন মানে, রাত জানে
আমার প্রেমিকা মানে না।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।