T3 || লক্ষ্মী এলো ঘরে || বিশেষ সংখ্যায় সুজাতা দে

কোজাগরী ঋণ
কুলুঙ্গিতে তুলে রাখা কিশোরী প্রেম
আজ জমাঘরের জমানো অশ্রু।
ফের আসবে বলেছিলে;
সুদীর্ঘ কোজাগরী রাত পেরিয়ে…
তাই সন্ধ্যামালতী “মা” লজ্জায় শিথিল!
কোজাগরী পূর্ণিমায় বনজোৎস্না দেখাতে নিয়ে এসে;সেদিন জোৎস্নাস্নাত পুরুষ্টু ঠোঁট জোড়া
বিভাজিকাদের খুনসুটিতে মজেছিল খুব।
মেঘ দেখাতে নিয়ে গিয়ে মেঘেদের রাজ্যে ভেসে যাওয়া সেই মেয়েটির কথা মনে আছে তোমার?
না থাকাটাই স্বভাবিক।
দ্যাখোতো আজ নতুন এই প্রেমিকাকে চিনতে পারো কিনা!
কর্কট রোগ বাধিয়ে এসেছ আমার কাছে।
পূর্ণ চিকিৎসায় আজ তোমার মতো
প্রেমিককে তো বাঁচাতেই হবে।
আজ কোজাগরী পূর্ণিমা।
এমন রাতে সেদিনও ছিল বুঝি জোৎস্না!
তাই সাধ করে মা আমার নাম রেখেছিল “কোজাগরী”…।
প্রতি বছর কোজাগরী রাতে
জলভরা চোখে মা যে ছবিটাতে চুমু আঁকতো,
আমার ঝাপসা স্মৃতি বলে,এই সেই মুখ!
তোমাকে তো সুস্থ হতেই হবে প্রেমিক!
নাহলে জন্মদাতার ঋণ আমি শুধবো কি করে!