সম্পাদকীয়

সম্পাদকদের কথা

আমার সম্পাদনার ছোট্ট অভিজ্ঞতায় মনে করি জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ সবটাই সম্পাদককে করতে হয়।

প্রথমতঃ পত্রিকাটিকে মনে করতে হবে এটি নিজের সন্তান। তাকে সুন্দর করে গড়ে তুলতে পারলে গর্ববোধ করার সুযোগ থাকে।

দ্বিতীয়তঃ নিয়ম জানিয়ে লেখা আহ্বান করা… এখানে যেমন প্রফেশনাল ভাবে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে লেখা আহ্বান করতে হবে, তেমনি নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে হলেও লেখা চাইতে হবে বারংবার। কারণ অনেক লেখকই অনিচ্ছাকৃতভাবে ভুলে যান লেখা দিতে…

তৃতীয়তঃ আমাদের যতিচিহ্ন ও শব্দের মধ্যেকার স্পেসিং সম্পর্কে সেভাবে শেখানো হয় না। খাতায় কলমে লেখার সময় এর বিশেষ প্রয়োজনও হয় না। কিন্তু টাইপিং এর ক্ষেত্রে এটি খুব প্রয়োজনীয়। তাই শুদ্ধ বানান, বাক্য গঠন এর পাশাপাশি শব্দে-শব্দে স্পেসিং ও শব্দ-যতিচিহ্ন স্পেসিং খুব খুঁটিয়ে দেখে নিতে হয়।

চতুর্থতঃ লেখার বিষয় ও গুণগত মান খতিয়ে দেখা।

পঞ্চমতঃ তা প্রকাশিত হওয়ার পর সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

ষষ্ঠতঃ কোন লেখক কোন ভুল সংশোধন করতে বললে তা তৎক্ষণাৎ করে দেওয়া (ওয়েব ম্যাগাজিনের ক্ষেত্রে)

সপ্তমতঃ অন্যান্য সময়েও লেখকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা।

এছাড়াও আরও অনেক রকম কাজ এসে পড়ে ক্ষেত্রবিশেষে। সবশেষে এটাই বলবো যে কাজের প্রতি আন্তরিক হতে হয়। মুনাফা নিয়ে ভাবা যায় না। সাহিত্যের বেসাতি নয়, সাহিত্য সেবা করার মনোভাব রাখতে হয়। একজন সম্পাদক ফুটবল দলের ম্যানেজারের মতো… পুরো দলটাকে (এক্ষেত্রে সম্পাদক-লেখক-পাঠক) এক সূত্রে বেঁধে রাখে।

সায়ন্তন ধর

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।