প্রবাসী ছন্দে সৌম্য দে (বাংলাদেশ)

বসন্ত ফুরালেই…
অনন্ত
বসন্ত চলে গেলে
আমি আবার ফিরবো
বসন্ত হয়ে।
পূরবী বলেছিল। পূরবী একটি প্রত্যাশার নাম।
যায় গায়ের রঙ শ্যামলাটে। নিমাই বাবুর মেমসাহেবের মতো অনেকটা।
তার চোখে প্রবল কাছে টানার মতো এক শক্তি ছিল।
মরুতেও যেন সে বৃষ্টির মতো করে প্রশান্তি ছড়ায়।
শিমুল ফোটা বিকেলে একদিন হাফ কাপ চা নিয়ে মুখোমুখি বসে দুজন।
ফুরিয়ে যাবার আগে স্বপ্ন বিভোর এক সন্ধ্যা।
সুগার বেড়ে যাওয়ায় পূরবীর চিনি বিহীন চা।
আমাকে জিজ্ঞেস করতেই ভিক্টরি চিহ্নের মতো জানান দেই। দু চামচ ।
একটি শ্বাসরুদ্ধ কবিতার মতো আমি পূরবী কে ঘিরে বসেছিলাম। পূরবীর গায়ে আগরবাতির মতো গন্ধ। আহা…
ইঁদুর কলের মতো জীবন থেকে বেরিয়ে আসার রোমাঞ্চকতায় আমি পূরবীর গা ঘেঁষে বসি। মনে মনে পরাগায়নের আলিঙ্গন চাই।
একটি লাল ঠোঁটের টিয়ে পাখি সাক্ষী ছিলো সেসময়।পূরবী শর্তহীন গান শুনিয়েছিল। চুলে হাত দিয়েছিল, চুম্বনে চুম্বনে স্বাধীনতার হিমালয় টপকে ছিলাম সেদিন।
খরগোশের মত একটি নরম সন্ধ্যায় আমরা ডাস্টবিনে ফেলে এসেছি যাবতীয় কষ্ট ক্লেদ, দুখী শার্টের বোতাম, জংপড়া ব্লাউজের হুক ।
বেসনে ভাজা বেগুনির মতো এমন একটি সন্ধ্যা আবার কবে আসবে পুরবী ?
পূরবী বলেছিল বসন্ত ফুরলেই….