সমীপেষু

কিছু কিছু গন্ধ বড়ো মাতাল করে তোলে মাঝে মাঝেই। সে হোক না আলমারির শেষ তাকে রাখা কোনো পুরোনো শাড়ি কিংবা নতুন কোনো জামা। গন্ধ আসলে মস্তিষ্কের সাথে কেমন যেন একটা আলাপ চারিতায় বসে থাকে মুখোমুখি আর ঠিক তখনই এক এক করে পাতাটা পেছন দিকে উল্টে ফেলি খাতাটার। যেখানে মান অভিমানের মতোই কিছু খেলো সেন্টিমেন্ট লিখে রেখেছি অদৃশ্য কালি দিয়ে। ওরা একদিন উড়তে শিখেছিলো গায়ের গন্ধ মেখে। উড়তে উড়তে পাহাড়ি নদীর সমাধি মন্দির বেয়ে একটু একটু করে পুঁজি জমিয়েছিলো পোশাকি পদবীর পূর্ণচ্ছেদে।
তারপর…
তারপর তারা কবিতা হয়ে গেলো একদিন। কবিতার মুক্ত অক্ষর। ওরা ভীষণ রকম স্বাধীনচেতা, পাখিদের মতো। আর পাখিরা!!!
ওরা তো কবিতা হয়ে গেছে কবেই, সেই চেনা গন্ধের পাহাড়ের বুকে।

এসব লিখে ফেলি মাঝে মাঝে, আর তারপর দিব্যি সম্পাদকীয় বলে চালিয়েও দিই। ওরা কিন্তু এসব জানে না, মনে হয় বোঝেও না। তুমি কিন্তু এসব আবার পাঁচকান করবে না, বলে রাখছি।
তার থেকে ভালো বরং আজকের জোনের পাতাটা পড়ে নাও।
আবার আসবো সামনের সপ্তাহে।

সোমা চট্টোপাধ্যায় রূপম

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।