কখনো কখনো লড়তে লড়তে ক্লান্ত হয়ে পরি,প্রয়োজন হয় একটা শক্ত হাত,বা একটা হাসি মুখের। দিনের শেষে প্রত্যাখ্যান আর প্রত্যাখ্যান গুলো যতটা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ করে ততটাই ভেতরটা দুমড়ে মুচড়ে তছনছ করে দেয়।ভাবি বেঁচে আছি তো? লড়াই টা চলুক, আগামী আরও দুর্বিসহ হয়ে উঠুক, ক্লান্তি ঝড়ুক কালিতে। রাত শেষে ভোরের মতো একটা ছোট গাছ কোনদিন যদি মহিরূহ হয়ে ওঠে সেই তো পরম প্রাপ্তি। কৃপাণে রক্ত লাগুক হেরে যাওয়ার ।
“If winter comes can spring be far behind”
লড়াই টা চলুক শেষ ওবধি। খুঁটে খাওয়া অতিনাটকীয় অভিমানে দুর্ভিক্ষ লাগুক।
আলোর আশেপাশের দিকভ্রান্ত তা আমাকে অবসর দিক অন্য দিকে চোখ ফেরানোর। এই অনাবিল আনন্দে ভেসে ওঠা এক মুঠো পৃথিবীতে মিশতে চাওয়া আমাকে আরো কঠিন করে তুলুক। যতটা কঠিন হলে আমার স্কুলের বাচ্চাগুলোর অমূলক কান্না আমাকে কাঁদাবে না। যতটা কঠিন হলে আশেপাশের শুকনো ডালপালাগুলো আমাকে ভাবাবে না। যতটা কঠিন হলে কোন ঝড় উপড়ে ফেলতে পারবে না এক নিমিষে ততটা কঠিন আমাকে করে তুলুক আগামী।
সম্পাদনা করতে এসে এই অল্প কয়েকটা মাত্র দিনে, বলা যেতে পারে একটা সপ্তাহে বেশ কিছু ঘটনার সম্মুখীন হলাম যে ঘটনাগুলো খুবই অপ্রত্যাশিত। আমি ভাবিনি এমনটাও হতে পারে বা এমনও হয়। কিছু মানুষ লক্ষ্য স্থির রাখার পরামর্শ দিলেন কিছু মানুষ ছেড়ে গেলেন বিশ্বাসী হাত। এরপরেও সম্পাদকীয় লিখছি। আসলে আমরা আনন্দ নিয়ে বাঁচি। আনন্দ নিয়ে বাঁচবো আগামীটা যতই কঠিন হোক। কোনো রিখটার স্কেলই মাপতে পারবে না আমার অনাবিল ভাবনাটাকে। ততক্ষণের জন্য নীল পাথরে ঘোলাটে পেন্সিল দিয়ে নাম খোদাই করে রাখি। ছোটবেলার বাক্সবন্দী গুপ্তধন আর একবার রোদ্দুরে দিয়ে রাখি। আগাম শুভেচ্ছা দিয়ে রাখি আগামীর আনন্দের জন্য।