সারাদিনটা গোলাপ গোলাপ গোলাপ করে কেটে গেলো। কেমন গোলাপ? কী রঙের গোলাপ সেই ভাবতে ভাবতেই হুস করে ঘড়িটা প্রায় ডেরখানা পাক দেবার পরও যেন খান্ত দিচ্ছে না। এত এনার্জি – বাপ রে বাপ!
আমিও জানি বাপু আজকে কী সব নাকি গোলাপ ডে – টোলাপ ডে বলে লোকে। আমিও গোলাপ গোলাপ করছি বটে তবে এ গোলাপ সেই গোলাপ না। আমি তো বলছিলাম গোলাপ দিদির কথা। মায়ের গোলােপের কথা। মানে যাকে সবাই গোলাপ মা বা অন্নপূর্ণা মা বলে জানেন। তিনি ছিলেন মায়ের সর্বক্ষণের সাথী। রান্নাঘর থেকে পুজোর থালা সবটাতেই ছিলো অবাধ অধিকার। মা আর গোলাপ দিদি যেন একে অপরকে আঁকড়ে রেখেছিলেন আজীবনকাল। যোগীন মা’ই তাঁকে ঠাকুরের কাছে এনেছিলেন এমনটাই শোনা যায়৷ তারপরের জীবন তো সবার জানা। সংসারের মধ্যে থেকেও, দুই সন্তানের জননী হয়েও কী করে অসামান্যা হতে হয় তা আজ রোজ ডে তে সেলিব্রেট না করলেই চলছিলো না আমার।
তাই করেই নিলাম সেলিব্রেট আজ কি সাম – গোলাপ দিদি কে নাম।
তোমারা এবার দেখে নাও আমার ঝুলির গোলাপি খামে কী কী আছে আজ…