কবিতায় সুদীপ চক্রবর্তী (সুচ)

ভাটিখানা ও মরাপেট

একটি প্রাচীন চোখ। করুণা ও বৃষ্টির আঁধারে,
জরিপ করে রুক্ষতা। সেদিকে দৃষ্টি নিষিদ্ধ একেবারে।
একরাশ বিবর্ণতা।চাহিদা এক পেটজোড়া খিদে,
বিনিদ্র ভাটিখানা, বাংলার বোতল। তবু হাঁটা সিধে।
প্রখর দিন।কাকেদের ঠকাতে বসে স্বর্গ আস্তাকুড়ে,
ইনসাফ দিলে খোদা, বেদনা টোকায় ভরদুপুরে।
জল খেয়ে বেড়ে ওঠা শিশ্ন। শক্ত হয়, দাঁড়ায় মাথা।
নিচু হলে খোঁচা দেয়, প্রত্ন সম গণতান্ত্রিক চটুলতা।

শকুনেরাও কাকেদের ঠকাতে খুলি দিয়ে সাজায় রাস্তা,
বাতানুকূল দেশ। ভুখা পেট, খিদের তাড়নাই সস্তা।
পালিশের নিচে কোটরসর্বস্ব চোখে, অন্নই বসন্ত বিলাপ,
পেটে উত্তাপ। তবু ছিপ ফেলে বসে আছে স্বনির্ভরতা খাপ।

উপকথা যত বেঁচে থাক সব।মরে যাক খিদের গল্প করা আত্মনির্ভর,
সে তো বাংলা দিয়ে গণতন্ত্র খায়, ঘেন্নার ঘাম ঝরায়, কিন্তু তারপর…

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।