যখন এই লেখাটা লিখছি তখন প্রায় সবকটা সংবাদপত্র, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক খবরের চ্যানেল, তর্ক, বাগবিতন্ডা, সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু সেই তালিবান শাসন ঘিরে. একটি দেশ, সমগ্র জাতি, নিষ্পাপ শিশুদের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ, নারীসুরক্ষা ধুলোয় মিশে যাওয়া আর অতলের আহ্বানে মৃত্যুর দিন গোনা – গোটা আফগানিস্তান এখন প্রশ্নের মুখে. কত লিখবো? আপনারা কত চিন্তা করবেন? কত ভাববেন দুনিয়ার হাল হকিকত নিয়ে? যেখানে মানুষের জীবনের দ্রষ্টব্য একটি অরাজকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর হাতে দিনের পর দিন বন্দি থাকা, সেখানে তাকে মুক্তির পথ কে দেখাবে? ইউনাইটেড নেশন্স, দুনিয়ার যতকিছু পিস কমিটি, আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষার জন্য তৈরী হওয়া কমিটিগুলি সকলেই চিন্তিত. একত্রিত হয়ে লড়াইয়ের রাস্তাটা হয়তো আমাদের জানা অনেকটাই বাকি, যদিও মুষ্টিমেয় দুর্বিনীত গোষ্ঠীগুলি অরাজকতা সৃষ্টি করতে পিছপা হচ্ছেনা. তারা সংঘবদ্ধ. এই দায়ভার কাদের? প্রশ্নটা রয়েই যাবে, হারিয়ে যাবে কোনো পচা নর্দমায়, যতদিন না দেশ, দশ, রাষ্ট্রর আরো চরম পরিণতি হবে. ভাবার সময় হলো. অনেক দেরি হয়ে যাবে নাহলে।