সম্পাদকীয়

পরীক্ষা এবং নিরলস পরিশ্রম: ভীতি এবং অনীহা

জীবনে কতবার কতশত পরীক্ষা দিতে দিতে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, চাকরির ক্ষেত্রেও বারংবার ভুল করি পরীক্ষাকে সত্যিকারের বোঝবার, রয়ে যায় কখনো বা কিছুটা ভীতি, কখনো বা খানিকটা হলেও অনীহা। জীবনকে চেনা,জানা, জীবনের সান্নিধ্য অনুভব করা, এই সবগুলোর মধ্যেই বোধহয় কোনো না কোনোভাবে পরীক্ষা রয়েই যায়। জীবনের দৃষ্টি, অনুপ্রেরণা, চলার পথে কিছু কিছু মানুষের সাহচর্য, শিশুদের হাসি, তাদের আঁকা, হাতের কাজ, লেখা, কবিতা, সবকিছু মিলিয়েই পরীক্ষার পথগুলো যেন আরো মসৃণ হয়ে ওঠে। কিছু বেবাক দৃশ্যের অমোঘ আকর্ষণে আজও পথ চলতে চলতে থেমে গিয়ে নির্ভার বোধ করি, আবার কখনো বা পরীক্ষায় না-আসা প্রশ্নগুলো শুকনো পাতার মতো দূরে সরিয়ে দিয়ে হাঁটতেই থাকি অনবরত।
ভীতি, পরিশ্রম, অনীহা, ভালবাসা, পরীক্ষাগুলো কিন্তু চলতেই থাকে, ছোট,বড়, কিছু প্রশ্ন খুব চেনা, কোনো কোনোগুলো মারাত্মকভাবে অজানা। শেখাটাই মূল একটি বিষয় রয়ে যায়, চারপাশের পাওয়া, না-পাওয়া, ছোটখাটো সরলীকরণগুলোর থেকেই শিখি, জীবনের প্রত্যেকটি নির্যাস, ক্ষমতার ব্যবহার, অক্ষমতার আতিশয্য, কোনোকিছুই হয়তো বাদ যায়না। কমন রুম আর কমন কোয়েশ্চন তাই কিভাবে সরলীকৃত হয়ে যায় সবসময় হয়তো বোঝাও যায়না।
আমরা শনিবারের সাহিত্য হৈচৈ-এ সবরকমের ভয়, অনীহা সরিয়ে রেখে তাই নিয়ে এসেছি জীবন উদযাপনের গল্প করতে, আনন্দ করতে
ছোটরা, এবং বড়রা যারা ছোটদের জন্যে লেখো, সবাই লেখা, আঁকা, তোমাদের হৈচৈ মুহূর্ত পাঠিয়ে দাও আমাদের। মেইল করো sreesup@gmail.com / techtouchtalk@gmail.com

শ্রীতন্বী চক্রবর্তী

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।