সম্পাদকীয়

জগদ্ধাত্রী পুজোর আলোকমালায়…
আলো দেখার পরেও অনেক অন্ধকার রয়ে যায়, আলোর নিজস্ব গরিমা, স্তব্ধতা, জনসমাগমের সামুদ্রিক ছাপোষা স্রোতের বাহুল্য ছাপিয়েও আলো তার নিজস্ব পরিসরে বিরাজমান। দেবী আসেন, ফুলের মালায় সজ্জিতা, অভয় দেন অন্ধকার থেকে মানুষকের আলোর উদ্ধেশ্যে নিয়ে যাওয়ার জন্যে। জ্ঞান, বুদ্ধি, চিন্তাস্রোতের প্রবল আস্ফালনে নয়, মানবিক কল্যাণের কারণেই আলো বিভক্ত হয়, আলো দ্বন্দ্বে ভোগে, আলোর নিশানায় থেকে যায় সকাল থেকে রাতের সমস্ত উপকরণ, আলো জ্বলে উঠেও নিভে যায়, তেজ-নিস্তেজ হয়ে পড়ার ঠিক সেই কাঙ্খিত মুহূর্তটি পেনসিল গাঁথা সাহচর্যে আমাদের কাছে ফিরে আসে বারবার। জগৎকে ধারণ করা সহজ কথা নয়, আলোকে প্রথমা, দ্বিতীয়া, তৃতীয়া, চতুর্থী, পঞ্চমীতে সরগম শোনানো তো আরো কঠিন। তারই মধ্যে ঝেঁপে বৃষ্টি আসে, জগতের সম্ভার ফুলেফেঁপে ওঠে, অগোছালো আলোকে নিয়ে গুছিয়ে ঘর বাঁধার আকাঙ্খা বেড়ে ওঠে অনেকেরই।
এই আলোর ঠিকানা খুঁজে নিতেই আমরা সাহিত্য হইচই-তে আবার নতুন করে সাজাচ্ছি ছোটদের, কিশোরদের গল্প, উপন্যাস, আঁকা, ঘোরা এবং কবিতার পাতা। মেইল করুন
techtouchtalk@gmail.com