“দৃশ্য দেখি অন্য
এ যে বন্য, এ অরণ্য
হেথা দিনেতে অন্ধকার
হেথা নির্ঝুম চারিধার …”
বন্য সৌন্দর্য পছন্দ হলে বেরিয়ে পড়াই যায় চিলাপাতা জঙ্গলের উদ্দেশ্যে। গত কয়েক বছরে অরণ্যপ্রেমীদের বিশেষ পছন্দের যায়গা হয়ে ওঠা চিলাপাতা ডুয়ার্সের জলদাপাড়া অভয়ারণ্য থেকে বেশি দূর নয়; আলিপুরদুয়ার থেকে দূরত্ব 20 কিলোমিটার। জঙ্গলের মূল আকর্ষণ ‘নল রাজার গড়’। গুপ্ত যুগে নল রাজাদের তৈরি দুর্গ এখন যদিও প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে, তবে ঐতিহাসিক বহু নিদর্শন চোখে পড়ে আজও।
জঙ্গলে বেড়াতে যাবো আর পশু-পাখি দেখব না, তা হতেই পারে না। ভাগ্য ভালো থাকলে চিলাপাতায় দেখা মিলতে পারে বাইসন, সম্বর, হরিণ, বন বিড়াল, হাতি, এমনকি চিতাবাঘেরও। মন্দাবাড়ি ওয়াচ টাওয়ার থেকে কোদালবস্তি পর্যন্ত বনদফতরের সাফারি’র ব্যবস্থা আছে। গাইড নিয়ে বেরিয়ে পড়াই যায়। সাথে ঘুরে দেখে নেওয়া যায় পাশেই মথুরা টি এস্টেট। এছাড়াও গভীর জঙ্গলের মাঝ বরাবর রাস্তায় ছোট গাড়ি বা বাইক নিয়ে সোনাপুর চৌপথি থেকে হাসিমারা, 24 কিলোমিটার পথ অ্যাডভেঞ্চার-প্রেমীদের খারাপ লাগবে না।
পশ্চিমবঙ্গ বনদফতর পর্ষদের (WBFDC) বাংলো আগে থেকে বুকিং করে রাখা যায়। অথবা চিলাপাতা ফরেস্ট ক্যাম্প-এও থাকা যেতে পারে। আগে থেকে বুকিং এক্ষেত্রেও জরুরি।
পথ নির্দেশ:
কলকাতা থেকে ট্রেনে আলিপুরদুয়ার। স্টেশন থেকেই গাড়ি বা ট্যাক্সিতে চিলাপাতা জঙ্গল।