কবিতায় বলরুমে সৌরভ বর্ধন

চরৈবেতি

১|
নিতান্ত সাধারণ আপেলগুলোকে মাটির দিকে ঠেলে দিয়ে
ভবঘুরে কোশ চেয়ারে বসে কাটিয়ে দ্যায় প্রোটোপ্লাজম…
জলের মধ্যে প্যারামোসিয়াম গ্যাজেলি-হরিণ টিকটিকি
দেয়ালের ছায়ায় পড়ন্ত হয়ে ওঠে উদ্ভিদের জীবনচরিত…
গাছ মাত্রেই যে দৌড়াতে নারাজ! থেমে যাওয়া = মৃত্যু (?)
তাই আপেল উঠে আসে গাছের দিকে, আরেকটু গেলেই :
বাস্তব ও সত্য, স্থিরতা ও গাছ, জাড্যতা ও সভ্যতা = শূন্য!
২|
নক্ষত্রখচিত, মেঘাচ্ছাদিত রাতের আকাশে প্যারোলে মুক্ত
যে ঘুড়িটাকে আমি উড়তে দেখেছি —– তার কাপকাঠিতে
অতসী মেঘ জড়িয়ে আছে। আমি হাত বাড়ালেই বৃষ্টি…
নিশপিশে ভিড় ঠেলেগুঁজে নতুন পায়ের সিলিয়াতে ওঠে।
পকেট বোঝাই ডায়াটম মাটি নিয়ে আমি আলতো করে
মেপে নিই মোহ স্কেলের আশকারা। এসব ঘামের কোনো
মানে না হওয়ায় সন্তুলিত মার্গ দিয়ে রগড়ে নিই দুই বগল
আর পেছন ঘুরে জাঙিয়া…! — ছায়া ঘনাইলো বনে বনে!
ঘাসের থেকে ঝুরঝুর করে সন্ধ্যা —- নিথর সব কলাঘাস।
এই সন্ধিক্ষণে বিবিধ মুদ্রায় কৌষিকী নৃত্য হবে। তারপর
জোনাকি বাগানে আলো ধরে ধরে ছায়া হাঁটা শুরু…
শাম্ত পায়ে দিক্চক্রবাল পেরিয়ে যাবো আমরা। সুতরাং
ধরে নাও, এখন আর আমি বৃষ্টিতে ভিজি না।
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।