T3 || রবি আলোয় একাই ১০০ || সংখ্যায় সুকন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়

রবিচ্ছায়ায়

আলগা আঙুলে আলমারিতে শাড়ির থাক ঘাঁটছিল ঋতু। কি পরবে আজ? যা দুর্ধর্ষ গরম পড়েছে, সুতির কিছুই পরতে হবে। ঢাকাই পরবে? নাঃ, এগুলো বড্ড কড়কড়ে হয়, আর সিল্ক জামদানির জরি ভীষণ ফোটে চামড়ায়— অস্বস্তি হয় তার। ভেবেচিন্তে ঠিক করল টাঙাইলই পরবে একটা — ভারি তো পাড়ার অনুষ্ঠান, তা-ও যদি জোড়াসাঁকো বা রবীন্দ্রসদনে যেত, একটা কথা ছিল।

যতদিন কোন্নগরে থাকত, নিয়মিত জোড়াসাঁকো এসেছে পঁচিশে বৈশাখে। ভোর ভোর স্নান করে, পরিপাটি ঢাকাইটি পরে, শাশুড়ি-মা আর ধ্রুবর জন্য চটজলদি কিছু জলখাবার তৈরি করে বেরিয়ে পড়ত ঋতু। ধ্রুব, তার স্বামী এসবের ধার ধারেনি কোনোদিন। বস্তুত, এতখানি বস্তুতান্ত্রিক, তামসিক লোকের সঙ্গে তার বিয়ে হবে, কোনোদিন ভাবেইনি ঋতু। রবীন্দ্রভারতী থেকে সঙ্গীতে স্নাতক মেয়েটির রূপ ছিল না তেমন, সে নিজেই জানত। আর তিন বোনের বিবাহ-বৈতরণী পার করার রূপোও ছিল না তার বাবার, জানত এটাও। তাই রাজ্য সরকারের মধ্যমগোছের কেরানী, একেবারেই বিশেষত্বহীন চেহারার ধ্রুবর সঙ্গে সম্বন্ধটা ফেলতে পারেনি বাবা। মা-ছেলের নির্ঝঞ্ঝাট সংসার, মেয়ে ভালই থাকবে ভেবেছিল।
খুব কি খারাপ আছে ঋতু? শোবার ঘরের ড্রেসারের বড় আয়নাটার সামনে নিচু হয়ে শাড়ির কুঁচি সমান করার চেষ্টা করতে করতে নিজেকেই প্রশ্ন করে সে।
সরকারের আবগারি দফতরে মেলা উপরি জোটে। নির্বিচার তৈলসিঞ্চনের জোরে উপরওয়ালার দাক্ষিণ্যও ভালই জোটে ধ্রুবর কপালে। তারই ফলশ্রুতি, বিয়ের বছর সাতেকের মধ্যেই কোন্নগরের এজমালি ভাড়াবাড়ি ছেড়ে কলকাতার পূর্ব উপকন্ঠের ছিমছাম ফ্ল্যাটে গৃহপ্রবেশ। কড়ি কত গুনতে হয়েছে সাদায় কালোয়, সেটা জানে না ঋতু, তার বর তাকে জানানোর প্রয়োজন মনে করেনি। লোক দেখানো ব্যাঙ্কঋণ একটা আছে, জানে। এত বড় ফ্ল্যাটের গৃহঋণের মাসিক কিস্তি কত হতে পারে, আন্দাজ করতে পারে তা-ও। কিন্তু তা সত্ত্বেও প্রতি মাসে যে সংসার খরচ হাত পেতে নিতে হয় তাকে, তাতে কার্পণ্য দেখেনি এযাবৎ।
একটি ছেলে তাদের, কথা ফোটার অব্যবহিত পরেই প্রথমে প্লে স্কুল, তারপর নামী ইংরেজি মাধ্যমের কিন্ডারগার্টেনে চালান হয়ে গিয়েছে সে। ছেলের মায়ের মতামতের কোনো গুরুত্ব ছিল না সেখানে।

কোন্নগরের ভাড়াবাড়িতে জায়গার অভাব ছিল, এখানে এই তিন কামরার ছড়ানো ছিটোনো ‘স্বপ্ননীড়ে’ সেই অভাব নেই। তাই অস্ফুটে স্বামীর কাছে অনুরোধ রেখেছিল ঋতু, যদি একটা গানের শিক্ষাকেন্দ্র করা যায় — মানে, তেমন বড়মাপের কিছু নয়, সে সাধ্যও তার নেই— ঐ যাকে কোচিং স্কুল বলে, সেইরকম যদি কিছু করা যেত, তার অধীত বিদ্যেটুকু একটু কাজে লাগানো যেত, এই আর কি! অনুরোধই করেছিল ধ্রুবকে, আবদার করার সাহস তার ছিল না।
শুনেই ভুরু কুঁচকে গিয়েছিল ধ্রুবর—
“গানের ইস্কুল? তুমি শেখাবে? ওই অ্যা অ্যা করে নাকিসুরে টেনে টেনে করা গানগুলো তো? কেন? এক্সট্রা টাকার দরকার পড়েছে?”
মাথা নিচু করে ঝাঁ চকচকে ফ্ল্যাটের মেঝের টাইলের জ্যামিতিক নকশার দিকে সমস্ত মনোযোগ দিয়ে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কিছু করার ছিল না ঋতুর। মৃণালের মতো স্বামীর ‘চরণতলাশ্রয়ছিন্ন’ হওয়ার সাহস তার কোনোদিনই ছিল কি?
“ওসব ফালতু হুজুগ মাথা থেকে ঝেড়ে ফ্যালো, বুঝলে? ঠিক আছে, সামনের মাস থেকে হাতখরচা একটু বাড়িয়ে দেব’খন”—- মন দিয়ে জেলকরা চুলে চিরুনি চালাতে চালাতে বলেছিল তার স্বামী।
শাশুড়ি নিরীহ নির্বিরোধী মানুষ। উপার্জনক্ষম ছেলেকে ভয়ও পান বেশ। তিনি মৃদু গলায় বলেছিলেন,
“বেশ তো আছো মা, ছেলে স্বামী সংসার নিয়ে— বিট্টু তো অভাব রাখেনি কিছুরই। তোমার খামোখা গানের মাস্টারি করার দরকারটাই বা কি? মন দিয়ে ছেলে মানুষ করো, দ্যাখো, যেন বাপের মতো রোজগেরে হয়ে তোমার মুখোজ্জ্বল করে একদিন”।
গানের স্কুলের প্রসঙ্গের সেখানেই ইতি।

এই পাড়াটা বেশ ভাল লেগেছিল তার। শহরের সবরকম বাহ্যিক স্বাচ্ছন্দ্য আর জাঁকজমক নিয়েও বেশ একটি ঘরোয়া আবহ রয়েছে এখানে। চারপাশের ফ্ল্যাটবাড়িগুলোয় মূলত মধ্য আর উচ্চমধ্যবিত্তদের বাস। অনেকেই পুরোনো একান্নবর্তী পরিবার ভেঙে চলে এসেছেন ‘এতটুকু বাসা’তে। কিন্তু মনের কোনো আলো না পড়া কোণে হয়ত রয়ে গিয়েছে সেই একত্রবাসের গোপন ইচ্ছার প্রচ্ছন্ন আর্তি। সঙ্গে বেদনাও। তাই যে কোনো সামাজিক পর্বদিনে একজোট হয়ে একটা অনুষ্ঠান ‘নামিয়ে ফেলা’র দুর্দম বাসনা রয়েছে সব বাসিন্দার মনে, সে পাড়ার সর্বজনীন দুর্গোৎসবের বিজয়া সম্মিলনী হোক বা স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রক্তদান শিবির — ছেলেবুড়ো সক্কলে হামেহাল হাজির।
তা, রবীন্দ্রজয়ন্তীই বা বাদ যাবে কেন? অতএব, বৈশাখের পঁচিশ তারিখের ঢের আগে থেকেই কোনো একটা ফ্ল্যাটবাড়ির ‘কমিউনিটি হল’এ শুরু হয়েছে সভার পালা। কোয়ালিফাইং রাউন্ড, কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল সভার নানা সিদ্ধান্ত-প্রতিসিদ্ধান্তের গ্রন্থিমোচন করে অবশেষে আজ সেই দিন এসেছে। রবীন্দ্রনাথের জন্মদিন। পঁচিশে বৈশাখ।

গত দু’বছর কোভিডের কারণে করা হয়নি রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন, তাই এই বছর সকলের উৎসাহের অন্ত নেই। সকালে, ‘স্বপ্ননীড়’ এর কমিউনিটি হলে রবীন্দ্র-প্রতিকৃতিতে মাল্যদান আর রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশন হবে। সন্ধ্যায় আরেকটি আবাসন ‘পূর্বাশা অ্যাপার্টমেন্ট’এর প্রশস্ত বাগানে প্যান্ডেল ও স্টেজ করে অভিনীত হবে রবীন্দ্র নৃত্যনাট্য ‘শ্যামা’। কুশীলব পাড়ারই লোকজন।
ঋতুর আজ সকালের অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকটা গান গাওয়ার কথা।
শাশুড়ির পুরোনো পালঙ্কের নিচ থেকে টেনে বের করা হয়েছিল ধূলিধূসরিত হারমোনিয়ম (তাদের খাট আধুনিক বক্স কুইন বেড, তাতে ‘খাটের তলা’ বলে কিছু নেই)।
সামনের ফ্ল্যাটের মণিমাসিমার উৎসাহ খুব— উনিই ওঁদের অল্পবয়সী কাজের মেয়ে পূর্ণিমার সঙ্গে হাত লাগিয়ে বার করেছিলেন ওটা।
“ইস, এত ঝুল জমেছে ওটার ওপর— তুমি রবীন্দ্রভারতীর ছাত্রী, গানবাজনাকে এভাবে অবহেলা করে থাকো কি করে মেয়ে?”
মণিমাসিমা আর ‘লেকভিউ হাইটস’ এর কলেজশিক্ষিকা অবন্তীর উপরোধেই গান ধরতে হয়েছিল ঋতুকে — ‘শুধু যাওয়া আসা, শুধু স্রোতে ভাসা’—
কিছুটা ভয়ে ভয়েই গেয়েছিল সে, পাছে ধ্রুব পাশের ঘর থেকে বেরিয়ে এসে কিছু বাঁকা মন্তব্য না উপহার দিয়ে বসে আবার!
কিন্তু না, কোথায় যতি দিতে হয় আর কোথায় বিরতি, বিন্দুমাত্র কাব্যিক না হয়েও ধ্রুব তা ভালই বোঝে দেখা গিয়েছিল। যতদিন রিহার্সাল চলেছে, রসভঙ্গ করতে একদিনও নিজের ঘর ছেড়ে বেরোয়নি সে। উদযাপন উৎসবে চাঁদাটা কিন্তু দিয়েছে দরাজ হাতে, সুতরাং ঋতুর স্বামীর প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতার অভাবটা তেমন চোখে পড়েনি কারোর। কিংবা হয়ত পড়েছে, কিন্তু টাকাপয়সার অপার মহিমা— অনেক কিছু দেখেও না দেখার ভান করতে হয়।

সবুজ কলাপাতার উপর একমুঠো ফুটফুটে জুঁইফুলের তুল্য অন্নের দানার মতো প্রসন্নতা মাখা একটা সকাল ঝকঝক করছে তাদের পাঁচতলা ফ্ল্যাটের বাইরে। এতটুকু মালিন্য যেন নেই কোথ্থাও। স্বপ্ননীড়ের কমিউনিটি হলটির নাম ‘অবসরিকা’। বেশ রাবীন্দ্রিক, মনের আরাম দেয়, ভাবল ঋতু। ছোট্ট ডায়াসের উপর কাঠের চেয়ারকে সাদা কাপড়ে ঢেকে ক্ষুদ্র একটি বেদীর রূপ দেওয়া হয়েছে। তার উপরে বিশ্বকবির রঙিন প্রতিকৃতি, তাঁর প্রৌঢ় সৌম্য কপালে শ্বেতচন্দনের নবীন ফোঁটা। সামনের টেবিলে স্তূপ করে রাখা বিভিন্ন সাইজের মালা— রজনীগন্ধাই বেশি, বেল আর জুঁইয়ের মালাও রয়েছে কিছু। অবন্তীর সবদিকে নজর রয়েছে, ছবির পাশে ধূপদান রাখতে ভোলেনি— তাতে গোঁজা রয়েছে সুগন্ধী আগরবাতির গুচ্ছ।
হল ভরে উঠতে আরম্ভ করেছে সুবেশ নরনারীতে। হারমোনিয়ামের সামনের গুছিয়ে বসতে গিয়ে ঋতুর চোখ আটকে গেল কমিউনিটি হলের দরজায়। কতগুলো মলিন ছিন্নবসন শিশুমুখের উঁকিঝুঁকি দেখতে পেল সে। কারা ওরা? ততক্ষণে সুবীরদা, বোসজেঠু, বিশ্বাসবৌদিদের মতো কর্তাব্যক্তিদের দৃষ্টিও আকর্ষণ করেছে ওরা। অনাহূত,অবাঞ্ছিত অতিথি কেন দ্বারে? গুছিয়ে বসা আর হলো না ঋতুর।

কাছে যেতে মালুম হলো, বাচ্চাগুলো অচেনা কেউ নয়। এই ফ্ল্যাটবাড়িগুলোর বিভিন্ন গৃহসহায়িকা অর্থাৎ ‘কাজের দিদি’দের সন্তান। পাশের বস্তিতে এদের বাস। সারা বছর পাড়ার নানা ফাংশন আর ‘পোগ্রাম’ ওরা দূর থেকেই দেখে আশ মেটায়, পতাকা তোলার দিনগুলোয় (পনেরই আগস্ট বা ছাব্বিশে জানুয়ারি) খাবারের প্যাকেট, লজেন্স এসব পায়। তাই আজও এসেছে। তবে আজ ওরা খালি হাতে আসেনি— আজ রবিঠাকুরের জন্মদিন কিনা, তাই ওরাও মালা নিয়ে এসেছে। টাটকা ফুলের মালা কিনতে অনেক খরচ, তাই ওরা রঙিন ঘুড়ির কাগজের মালা নিয়ে এসেছে— ঠাকুরের ছবিতে পরাবে বলে। ঋতু ঠাহর করে দেখল, একটা জটপাকানো তামাটে চুলের পুতুল পুতুল দেখতে বাচ্চার হাতে একটা সস্তা গোলাপী কাগজের ফুলের মালা।

‘অন্ধকারে লুকিয়ে আপন মনে,
কাহারে তুই পূজিস সংগোপনে?’—- ঋতু মুখ ফিরিয়ে তাকালো ডায়াসের দিকে।
হলের ছাদ থেকে বাহারি ঝাড়বাতির আলো পড়েছে কবির বিষাদগম্ভীর মুখে, তাঁর দৃষ্টি যেন প্রসারিত কোন সুদূরে— ‘নয়ন মেলে দেখ দেখি তুই চেয়ে, দেবতা নাই ঘরে’—-

ঋতুর মাথার মধ্যে কি যেন একটা ওলোটপালোট হয়ে গেল।
সে সোজা এসে দাঁড়াল এই রিক্তপরিত্যক্ত শিশুর দলের মাঝখানে।
”তোরা গান করতে পারিস? কবিতা জানিস, কবিতা? রবিঠাকুরের কবিতা?”
ভিড় ঠেলে এগিয়ে এলেন মণিমাসিমা।
“কি বলছ কি ঋতু? এই হ্যাগার্ড, অশিক্ষিত বাচ্চাগুলো গান গাইবে? আবৃত্তি করবে?”
ঋতু যেন বধির হয়ে গেছে। সে ওই পুতুল পুতুল বাচ্চাটিকে কোলে তুলে নিয়েছে ততক্ষণে। ধোপদুরস্ত টাঙাইলের দুধসাদা জমিতে লাগছে পৃথিবী মায়ের মাটির দাগ— তার ভ্রূক্ষেপ নেই।
“কেন, ইস্কুলে পড়িসনি কেউ? রবিঠাকুরের কবিতা পড়ায় তো ইস্কুলে— মনে নেই একটাও? মনে করো আমি বিদেশ ঘুরে, মাকে নিয়ে যাচ্ছি অনেক দূরে—” উত্তেজনায় হাঁপাতে থাকে ঋতু,” তালগাছ একপায়ে দাঁড়িয়ে, সব গাছ ছাড়িয়ে— পড়িসনি? কিচ্ছু মনে নেই?”
বোবা চোখগুলো বোধহীন দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে তার মুখের দিকে, পিপাসার্তের মতো। আরো কিছু বলুক এই মাসিটা, ওর মুখ থেকে যেন বিন্দু বিন্দু স্বপ্ন ঝরে পড়ছে, অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকে হাভাতে বাচ্চাদের দল।

‘এইসব মূঢ়, ম্লান, মূক মুখে দিতে হবে ভাষা,
এইসব শ্রান্ত, শুষ্ক, ভগ্ন বুকে ধ্বনিয়া তুলিতে হবে আশা’—
কি এক অব্যক্ত আবেগের উচ্ছ্বাসে গলা বন্ধ হয়ে আসে ঋতুর। সেও তো ওদেরই একজন, তাই নয় কি?
হঠাৎই দলের পিছন থেকে একটি কিশোর ছেলে বলে ওঠে,
“ইস্কুলে যাইনি, কিন্তু আমি একটা রবিঠাকুরের গান জানি। ওরাও জানে। গাইব?”
কোলের বাচ্চাটিকে সন্তর্পণে মাটিতে নামিয়ে দেয় ঋতু। দু’চোখ ভর্তি জল নিয়ে ঘাড় হেলিয়ে সম্মতি দেয় সে।
”গাও। যা জানো, গাও।”
সমবেত নির্বাক, কৃষ্টিবান শ্রোতাকুলকে চমকে দিয়ে গেয়ে ওঠে সেই শ্যামলা কিশোর—
“জন গণ মন অধিনায়ক জয় হে,
ভারত ভাগ্য বিধাতা”
তার সঙ্গে গলা মেলায় আরো অনেকগুলি রিনরিনে কণ্ঠ—
“পঞ্জাব সিন্ধু গুজরাট মরাঠা
দ্রাবিড় উৎকল বঙ্গ,
বিন্ধ্য হিমাচল যমুনা গঙ্গা
উচ্ছলজলধিতরঙ্গ”

বাংলার এক নাগরিক পল্লীর একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্ত অবধি ছড়িয়ে যায় শিশুকণ্ঠের সুরমূর্ছনা —-
রুদ্র বৈশাখের প্রসন্নতা গাঢ় হয়, গাঢ় হয় রৌদ্রের রঙ —
বিশ্বকবির দৃষ্টিপ্রসাদ সিক্ত করে দিয়ে যায় শিশু বৈতালিকের দলকে।
আজ যে তাঁর জন্মদিন। আজ পঁচিশে বৈশাখ।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।