গদ্য কবিতায় সুপ্তা আঢ্য

দ্রৌপদী না তিস্তা পাড়ের যুবতী
কবি কলমে আমায় নিয়ে শুরু হোক নতুন কোনো কাব্য কথা।
কখনো বানভাসি— কখনো অথৈ তলে ডুবতে চাওয়া অবুঝ কিশোরী— কখনো বা পথ হারাতে চাওয়া একাকী অভিসারিকা।
ভোরের বকুল কিংবা আধো আঁধারে আলগা বাতাসে তুলসীমঞ্চে তিরতিরিয়ে কাঁপা কাঁচা মাটির প্রদীপ ।
তিস্তা পাড়ে যুবতী হৃদয় ভাঙা উতল ঢেউ কিংবা শেষ দুপুরে দেবদারু পাতা চুঁইয়ে নামা ঈষোষ্ণ সোহাগ।
কৃষ্ণা অমানিশায় শঙ্খচূড় কালসর্প প্রেম অথবা শুক্লা নিশায় আ’শরীর রাই।
কখনো শ্রীমতী—কখনো দ্রৌপদী—-কখনো রুক্মিণী কিংবা সত্যভামা;
চিত্রাঙ্গদা— রোহিনী— অথবা কৃষ্ণ প্রেমা মীরা।
মাঝে মধ্যে আপন সত্ত্বায় উলুপী হয়ে পদ্মনাগের মতো অর্জুনকে জড়িয়ে ধরার নেশা স্বপ্নে মাতাল হয়েছি।
মারক বিষে নীলাভ করে আপানে পান করতে চেয়েছি অমৃত।
উগ্র মহুল নেশায় আ-পংত্তি রাত্রি কাটিয়েও শঙ্খচূড় নেশা কাটাতে পারিনি।।
এমন কোনো নায়িকা নাহয় তোমার কলমে অমর হোক এক নতুন নামে।
তুমি বিখ্যাত হও এ যুগের দ্বৈপায়ন কিংবা কালিদাস বা অন্য কোনো আখ্যানে।।