সাপ্তাহিক ধারাবাহিক উপন্যাসে সোনালি (পর্ব – ৮৫)

রেকারিং ডেসিমাল
হাফ ইয়ারলি পরীক্ষার রুটিন এলো।
মা দুই ডানপিটেকে নিয়ে রোজ পড়াতে বসেন। মুশকিল হল যে রুটিন এসেছে লেখার যেটুকু পরীক্ষা সেটুকুরই। তার বাদেও ত ওরাল মানে মৌখিক পরীক্ষা থাকে।
বাবা অস্থির হন।
দেরি হলে হোটেল, ট্রেনের টিকিট, এই সব বুকিং কখন করা যাবে?এরপর আর ট্রেনের টিকিট পাওয়া যাবে না!
অনেক ভেবেচিন্তে যে দিন ছুটি শুরু হবে তার আগের দিনের টিকিট কাটা হল।
বাবা মা দু জনেই নিশ্চিত একেবারে আগের দিন অব্ধি ত আর পরীক্ষা চলতে পারে না। তা হলে রেজাল্টটা আর বেরবে কখন।
ও মা!!
লেখার পরীক্ষা শুরু হবার দিনই নোটিশ।
সর্বনাশ!
ছুটির আগের দিন বাংলা ওরাল!
দুই ছানাই বাংলা ভালো বলে। দিব্যি গড়গড় করে বাড়িতেই আবোলতাবোল আওড়ায়।
পরীক্ষা দিতে পারবে না শুনে ভ্যাবাচেকা খেয়ে গেল।
ঠাকুমা ঠাকুরদা এসেই গেছিলেন ফ্ল্যাটে।
ঠাকুমা খুব রেগেমেগে বললেন, বাবু, টিকিট ক্যানসেল কর। পরীক্ষা আগে না লেখাপড়া আগে? তোদের কি আমি এ ভাবে পড়াশুনো করিয়েছি ? এক দু দিন পরে পৌঁছালে কোন ক্ষতি নেই।
কি যে করিস তোরা।