সম্পাদকীয়

বাংলা মানে মুখের কথা। বাংলা লেখার সাথে বেশির ভাগ মানুষের বেশ খানিক ঝামেলা আজকাল।
তবু, ফোনের কিবোর্ডের ফাঁকে বাংলা ভেসে আসে। আন্তর্জাতিক এবং আন্তর্জালিক লেখাপড়ার জন্য বাংলা প্রস্তুত করে যন্ত্রেরা।
কেন?
মরেই যদি গেছে ভাষা?
এত যদি হেলাছেদ্দা। নাক সিঁটকানো।
সেকেলে বলে অপবাদ। অপরাধ ও।
কিছু মানুষ ও এমন হয়।
যতই কেন না চমৎকারি চটপটে হতে শেখাও, সেই আল্লাদে গলে গিয়ে,… হ্যাঁ ভাই এসো ভাই, খাট পেতে দিই ভাত বেড়ে দি খাবে ভাই? …
এই সব গাঁইয়া মায়া-মমতার ছেঁড়া কাঁথা পেতে বসে পড়ে।
একেবারে ল্যাতাজোবড়া মন, দলামোচা করে পড়া পোশাক আশাক, বিশ্বট্যালা যাকে বলে আর কি।
তবু।
তারা সব মরে ত যায় না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে, আর শহীদ বেদির মঞ্চের কাছে এলেই কি রকম অস্থির হতে থাকে ভেতরটা। ঠিক বোঝাতে পারব না।
কত গুলো চীৎকার বুকের গভীরে গোঙাতে থাকে।
অনেক গুলো গলা আর্তনাদ করে, মা আ আ আ
আমি সেই মুহূর্তে প্রতি রোমকূপে টের পাই আমি বাঙালি।
বাংলা আমার মাতৃভাষা।
এ ভাষায় মাকে মা বলে ডাকার জন্য আমি মরে যেতেও রাজি আছি।
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি।