কবিতায় সৌরভ

১| অ্যাসিড

তোমরা যারে মারছো অ্যাসিড
তারা যে মায়ের জাত,
বিয়ের সময় ভার্জিন পাত্রী লাগবে
খুঁজছ বর্ন আর জাতপাত।
তোমরা করছো আজ ধর্ষণ
দেখাচ্ছ পুরুষতান্ত্রিক অধিকার
সুপুরুষেরা নারীদের রক্ষা করে
মারে না অ্যাসিড করেনা ধর্ষণ
না থাকে কোনো কাপুরুষের ব্যবহার।
অ্যাসিড যদি মারতে হয়
মারো ধর্ষকদের মুখে,
মেয়েরা নাই হোক একটু ভরসা চাই
হিংসা হয় কি তাদের সুখে?
তারা আবার রাখি পড়ায়
আবার দেয় ভাইফোটা
আমরাতো তাদের প্রতিজ্ঞা করতে পারি
এইবার দেশে বন্ধ হোক ধর্ষণটা।
আমরা নিজেরা রূপের চর্চা করি
সুন্দরী বউ আবার লাগবে যেনো
কিন্তু বউ নিখোঁজ যে
অ্যাসিডে মুখ পুরছে যে
তবে অ্যাসিড মারছ কেনো?
তবে বলছি মেয়েরা
তোমরা নিজেরা হও শক্ত
দুর্গা বা কালী রূপ নিতে পারো
যদি না সাজলে নিরীহ ভক্ত।
তোমার ভাইয়েরা পারছে না যে
তাদের সাথে করতে লড়াই
তোমরা যদি সঙ্গ দাও
দেশ হবে তবে ধর্ষক মুক্ত
উপযুক্ত বাড়বে দেশের বড়াই।

২| ছোটো কাপড়

যাদের মন নগ্ন,
তাদের শাড়ি তে নারীকে
দেখে মনে হয় উলঙ্গ।
ছোট্ট কাপড় একটা বাহানা মাত্র,
সেকারণে ধর্ষণ বেড়ে গেছে দিবারাত্র।
মনের নগ্নতা করুন দূর
বেজে উঠুক ভালোবাসার সুর।
ছেলেরা হাফপ্যান্ট
পড়লে তাতেও নির্দোষ
মেয়েরা হট পড়লে
বিপদে পড়লে হয় তাদের দোষ।
কালচার নষ্ট হয় বলে
তাদের হয় আফসোস,
তারা আবার কারা
যারা নারীদের ভাবে বস্তু
পনের দায়ে পুড়িয়ে মারে
মেটাতে তাদের রোষ।
কাপড় কাকু ছোট্ট নয়
আপনাদের ছোট্ট মনে তাদের ভয়।
ছোট্ট কাপড় যদি কারণ হয়
তাহলে তিন বছরের বাচ্চার
কিভাবে ধর্ষন হয়…!
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।