T3 শেষের কবিতায় শাল্যদানী

| বনসাই |

যার হৃদয়ে ঘৃণার বাস
ঋতুহীন সে বারোমাস
বুকের মাঝে জমিয়ে আশ
সৃষ্টিতো নয়, বিষের চাষ!
আর যত অহংকার
অবিদ্যারই সম্ভার
ঘৃণার বীজে লোভের গাছ
ডাঙায় হাঁটে জলের মাছ
তারপর আমি স্টেশনমুখী হলাম।সূর্যপীঠে মস্ত দায়ের বলিরেখা। বলিহারি বিধাতা! ঘামাতে পারলে না। ফেরিঘাটে দাঁড়াতে দেখে নিজেকে স্টেশনগামী লাগছিলো। আর ছায়াটাও নড়তে পারছিলো না
অথচ অনেকগুলো হুইসেল একসাথে বেজে চলছিলো যেন এস্রাজ। এপ্রান্ত ওপ্রান্তে পৌঁছাতে চাইছিলো অথচ ওই নবগ্রহ মন্দির আমায় আটকাচ্ছিলো বারবার। নয় নয় করে নয়বার ঋতুমতী হওয়া নারী, তার বিশেষ স্নানের প্রয়োজন।আমি কি তবে স্টেশন থেকে ফুলের মালা কিনে আনবো? মালা ওখানে বড় সস্তা! ছিঁড়লেও হুইসেল বাজে না
বিঃ দ্রঃ :
প্লাস্টিকের কাপে চা খাবেন না
সিরিয়ালের নামে মনীষীদের শ্রাদ্ধ করবেন না
দুটোই কিন্তু বিদ্যাঘাতী
আর কবে যে জাগবে জাতি
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।