|| পঁচাত্তরে পা, সাবালক হলো না? || T3 বিশেষ সংখ্যায় সঙ্কর্ষণ

বালাসোর ট্রেঞ্চ ফাইট
“জ্যোতিষ,নীরেন,চিত্তপ্রিয়,সব রেডি,সব ঠিক?
ঠিক বারোটায় সাগরপাড়ে ঢুকছে ম্যাভেরিক।
ঘটবে এবার সেই ঘটনাই, হয়নি যা কভু দেশে
ব্রিটিশ বধে নামবে মানুষ অস্ত্র হাতে হেসে।”
যতোই ভাবো, থাকবে মাথায় শক্তিমানের হাত
সব দলেতেই একটি থাকে আপদ কুমুদনাথ।
শুনলো ব্রিটিশ প্ল্যানটা পুরো,জানোয়ারটার থেকে
ধরপাকড়ের চলবে নাটক, বিপ্লবীদের ঠেকে।
সাল পনেরো, শতক উনিশ, বুড়িবালামের তীরে
গুটিকতক দেশের ছেলে, লাল পাগড়ির ভীড়ে,
সেদিন মা গো রক্তে তাদের, ধন্য হলে তুমি
জীবন তারা বিলিয়েছিলো তোমার চরণ চুমি।
সংখ্যা প্রচুর ব্রিটিশ পুলিশ, নেতৃত্বে টেগার্ট
“অনেক ছুটেছো বাঁড়ুজ্যে বাপ, ধরবো তোমায় এবার।
কিন্তু ওরা গেলোটা কোথায়,কাউকে দেখছিনা তো
জনসন তুমি সামনে থাকো, মাইকেল ফাঁদ পাতো।”
গুড়ুম শব্দে গর্জে ওঠে, নেতার মঁসার পিস্তল,
প্রথম চেষ্টা, ব্রিটিশ সেনার পুরোটাই গেলো নিষ্ফল।
পাথর আড়াল বিপ্লবীদের, সাহস ছিলো সাথে
মরণখেলা খেলতে নামা জীবন নিয়ে হাতে।
ঘণ্টাদুয়েক লড়াই শেষে ফুরিয়ে গেছে গুলি
বুলেট পেটে ধুঁকছে নীরেন, নেতার ফুটো খুলি।
“দায়টা আমার সবটা একার, নির্দোষ সব ওরা
কোরোনা জুলুম ওদের ওপর, সত্যি বলি গোরা।”
গেলেন চলে মহান নেতা, যুদ্ধবিশারদ
বীরপুত্রকে হারিয়ে কোলে কাঁদলো মা ভারত।
শেষযাত্রায় সামনে ছিলেন, পুলিশি নেতা টেগার্ট
“আই ফাউণ্ড দিস ম্যান, মোর ব্রেভ দ্যান এভার।”
দিচ্ছি কথা ভুলিনি তোমায়, ও গো মহান নেতা
চোখের জলে দেশের মাতা, জানায় তোমার কথা।
পারলে আবার এসো গো ফিরে, হে মহা প্রবাদপ্রতীম
স্যালুট তোমায়, আমরা স্বাধীন, প্রণমি বাঘাযতীন।