সাপ্তাহিক ধারাবাহিক উপন্যাসে সোনালি (পর্ব – ২৫)

পুপুর ডায়েরি
একাত্তর সালে নব নালন্দা হাই স্কুল তখনও হাই হয়নি।
নেহাৎ ছোট্ট ছিল আমাদের মতোই।
আমি, শ্রীময়ী, দেবদীপ, ভাস্কর, নন্দিতা দাশগুপ্ত, এরা নার্সারির গুড়গুড়ে।
কৃষ্ণা আন্টি আমাদের প্রথম ক্লাস নিতেন। পরে যেটা হাই ইস্কুল, আরও পরে, “নালন্দা ভবন ” নাম হয়েছিল, সেটা তখন একটাই মাত্র বাড়ি। বাইরের পরে অফিস রুম হওয়া ঘরটাই আমাদের ক্লাসরুম ছিলো।
কৃষ্ণা আন্টি, উইদ হার এভার সানি ডিসপোজিসান আর লাভিং ওয়ার্মথ, আমাদের পিয়ানো বাজিয়ে গান শেখাতেন।
” ও ডিয়ার, হোয়াট ক্যান দা ম্যটার বি
ও ডিয়ার,
জন ইজ সো লং অ্যাট দা ফেয়ার… ”
এখনো পুরো মনে আছে।
এই সেদিন, শ্রীময়ীর দু নম্বর মিষ্টি পুচকেকে দেখতে গিয়ে ওদের বাড়িতে ওর বড় কন্যা স্বহিমা-র সঙ্গে এই গল্প হচ্ছিল।
ও তো নায়াগ্রার কাছের বাড়িতে বড় হয়ে এসেছে।
সে আমায় ভারি খুশী হয়ে বলল, ” উই অলসো লার্ন্ট দিস সংগ ইন আওয়ার ডে কেয়ার। ”
আমি আরও একবার ভীষণ গর্বিত হয়ে ভাবলাম, আমরা কতটা কসমোপলিটান আর গ্লোবাল সংস্কৃতির মধ্যে বড় হয়েছিলাম।
এই আমার স্কুল। আমার নব নালন্দা। আমার সেকেন্ড হোম।