T3 শারদ সংখ্যা ২০২২ || তব অচিন্ত্য রূপ || বিশেষ সংখ্যায় সুদীপ্তা

।।জীবন – মৃত্যু।।
যে উশ্মিল কবিতার কেন্দ্র কোরকে মিশে থাকে জীবনবোধের শিকড়,
তারই আলো ছায়ার ট্রিটমেন্টে ছায়াতপ পায় নিরবচ্ছিন্ন মৃত্যু তিয়াসা।
বিচ্ছুরিত না হয়েও যে তৃষ্ণা আপাত অনুচ্চ ভাবে ভীষণ বাঙ্ময় মৃত্যু নির্লিপ্তি তাকে শেখায় অমলিন প্রগলভতা।।
বিবর্তনের পথে প্রান্তরে পৌরাণিক তত্ত্বে দ্রবিভূত আলোর পৌত্তলিক রূপ নিরাকার আকাঙ্ক্ষার প্রতিভূ।
জীবন মৃত্যুর দোলাচল যে নৈঃশব্দের অন্তরাল গড়ে তারই ডেঞ্জার জ়োনে বাসা গড়ে হোমোসেপিয়ান্স আকুতি।
স্যুররিয়্যালিস্ট ছবির মতো অপার্থিব অমাকুসুমের আলো পৃথিবীর বুকে বেহেস্তের অতিকাব্যিক আরও মোহময় দ্যুতি মিশিয়ে অর্বুদ সুখের ছন্দোময় আবহ আগলে রাখে,
এই উদাসীন লাবণ্য জীবনের উপমা।।
নিদাঘক্লান্ত দগ্ধ যাত্রা পথে মৃত্যু কি তবে এক মায়াময় স্টেশন?
শীত সন্ধ্যায় যার মননে মিশে থাকে মন খারাপের ফ্রিকশান,
সে সিক্যুয়েন্সে পাখির নিবে আসা ডানার শব্দে সন্ধ্যা হয় নগ্ন,
সন্ধ্যা বেদনাবিধুর…
শেষ সূর্যের আলো স্নাত নদীর তীরে উবু হয়ে বসে মহাকাল,
চলে অনন্তের সাথে গুফতুগু…
অনাম্নি নক্ষত্রের বুকে মাথা রাখে লীন স্তব্ধ লুব্ধক।
যে উশ্মিল কবিতার কেন্দ্র কোরকে মিশে থাকে জীবনবৃত্তান্ত, কাল তার কঠিন প্রত্ন ভাস্কর্যে মৃত্যু নেশার আখ্যান লেখে।
তবুও আলোর আশ্চর্য অপস্রিয়মানতা সমগ্র মায়াজন্মের ধুসর মোনোক্রম গীর্ণ করে রেখে যায় অমরত্বের আভাস,
ধুলোর জীবনের থেকে সমস্ত অপ্রাপ্তির আগাছা ঝরে গেলে, ইচ্ছাবীজে জল ঢেলে কে যেন চেয়েছিল
অনাবিল আরোগ্য,
আমরণ অধিবাস,
অমোঘ আশ্রয়…