কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে রুদ্র সুশান্ত (গুচ্ছ কবিতা)

১| কেমন যেনো লাগে

তোমাকে ভালোবাসার যে প্রতিজ্ঞা নিয়ে জন্মেছিলাম;
তা ধীরে ধীরে মলিন হয়ে যাচ্ছে।
আমি হয়তো আর প্রেমিক নই, আমি হয়তো আর কবি নই
আমার কলমে জং ধরেছে, মনে ময়লা জমেছে।
আমার হাতে আর না হবে কবিতা, না হবে প্রেম। ‌

এই না পাওয়া এবং না হওয়ার অতৃপ্তি নিয়ে আমার বয়স দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে।
কদম ফুটে, হাসনাহেনা ফুটে ঝরে যায়,
আমাকে আর আগের মতো ভাবায়-ই না।
না গোধূলি না সুতীক্ষ্ণ প্রাতঃভোর, না কৃষ্ণপক্ষ না শুক্লপক্ষ, না চাঁদের মোহনহারা আলো
কোন কিছুই আমাকে আর আগের মতন বক্ষপিঞ্জরে ডাকে না।

আমি অনেকটা প্রেমহীন অনাথে পরিণত হয়েছি।‌

২| বিষম

নদীর বাঁক বদলে যাওয়া ফুলের স্নিগ্ধতায়-
শিহরণে গোঙাতে থাকা নারীর মুখে
স্বাধীনতার স্তবক শুনতে চাই- নিরোধিনী।

করাঘাতে খুলে যাক নাভীর নিন্মচাপ,
নির্ঝঁঝাট চিত্তগ্ৰাহী বসন্তে-
ঘুরে দাঁড়াক নির্বিবাদী নায়কের মন।
তুঙ্গে উঠুক রাষ্ট্রর সমস্ত আয়োজন।

কথা হোক এই নিয়ে, পত্রপত্রিকার স্লোগানে
ভাতের বিনিময়ে চামড়া বিক্রি, আজো নির্বিকার সমাজ।
আমারা কালোত্তীর্ণ সময়ে বড্ড বেমানান গতির ভিতর।

৩| ভালোবাসা এমোন হয়

জীবন সুন্দর, জানি-
ভালোবাসার আহবানে বৃক্ষলতা
গাছের সবুজ পাতা
ঘাসের সবুজ তরুলতা
উর্দ্ধমুখী প্রাণ ছুটে চলে অনায়াসে।

ভালোবাসা জীবনের হুমকির মতোন
আসে যায়
আসে যায়,
যায় আর আসে না।

ধরতে গেলে- উড়ে,
ছেড়ে দিলে জুড়ে বসে।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।