আমাদের গল্প
আমার বাংলাদেশ, সোনার বাংলাদেশ
আমাদের বাংলাদেশ নমঃ নমঃ নমঃ
স্বাধীন ভূখন্ড ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
বিনম্রতায় শ্রদ্ধা লহ সকল মুক্তিযোদ্ধা,
যারা আছেন, যারা পরপারে,
যারা নিহত হয়েছেন।
মননে ধারন করি ১৯৫২
ঝরেছিলো তাজা প্রাণ- হয়েছিলো একুশ রক্তাক্ত
মাতৃভাষা টেকানোর সেই লড়াই
সেখান থেকেই শুরু জয়, পাকিস্তানের পরাজয়
উর্দূ নিপাত আর বাংলা ভাষার জয়
যা প্রেরণায়, মননে ধারন আর উদ্দীপ্ত শপথ
সোনার বাংলা বিনির্মানের।
৬৯ এর গনঅভ্যুত্থান, ১৯৭১ এ ভূখন্ডে স্বাধীনতা
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হুঙ্কার
“সাত কোটি মানুষকে দাবাইয়া রাখতে পারবা না।”
ওরা পারে নি, পাকিস্তানের লজ্জাজনক পরাজয়েও
শিকড় রেখে গেল, দেশদ্রোহী, রাজাকারদের।
আবারও হত্যা খুবই সুপরিকল্পিত
ইতিহাসে কালো হলো ১৪ ডিসেম্বর,
প্রাণ নিলো সহস্রাধিক বুদ্ধিজীবীর
যাদের চিন্তা চেতনায় ছিলো দেশ নির্মানের কল্পচিত্র
থেমে গেলো সব পাকস্তানিদের বুটের আঘাতে
বন্দুকের গুলিতে, বুদ্ধিজীবীদের রক্ত স্রোতে।
আবারও আঘাত, এবার পাক পরোক্ষে
অপারেশনে রাজাকার আলবদর প্রত্যক্ষে
ইতিহাসে রক্তাক্ত হলো ৪ নভেম্বর
হত্যা হলো চার জাতীয় নেতা।
আবারও রক্তের বন্যা
১৫ আগষ্ট ১৯৭৫, একটা নিকষ কালো দিন
নিহত পরিবারসহ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
সেই পাক আর এই রাজাকারের ফারাক নাই।
না একখান আছে
পাকিস্তানীরা উর্দূতে গালি দিতো
রাজাকারেরা বাংলা ভাষায় দেয়।
ভাবলেই হৃদয়ে নিঃসৃত হয় অশ্রু
মুখে জমে থুতু, ছুঁড়ে দেই রাজাকারদের মুখে
এখনো যারা বিচরণ করে স্বাধীন বাংলায়।
ওগো বন্ধুসকল, সাবধান হও, সতর্কতায় চলো
রাজাকারদের বংশধরদের বিচরন খেয়ালে রাখো,
আবার যেনো কোনভাবেই আটকে না পরে
সোনার বাংলা বিনির্মানের রূপরেখা।
অনেক সময় পেরিয়েছে, অনেক হারিয়েছি
পঞ্চাশ বছরে এগুতেই পারিনি
এখন সময় এগিয়ে যাওয়ার, এগুতেই হবে
ওগো বন্ধুসকল, সাবধান হও, সতর্কতায় চলো।