ক্যাফে কাব্যে রুদ্রপলাশ মণ্ডল

ক্ষত
পেয়ারার ডালগুলো ভরা বর্ষায় দুলে উঠলে
দু’দিনের ডাঁসা পেয়ারাটা বৃষ্টির ফোঁটায় পেকে
সন্তানসম্ভবা হয়ে যায়; হলুদ লজ্জায় মুখ
ঢাকে পাতার আড়ালে এবং সবুজের প্রশ্রয়ে
নিরাপদ বোধ করে তার দ্বিতীয় শরীর
বাঁশবাগানের বদ পাখিগুলো কখন যেন খবর পেয়ে
ঠিক উড়ে এসে বসে নিকটের ডালে
উঁকিঝুঁকির পরেই
শুরু করে কিচিরমিচির… সহানুভূতির গান…
ভালোমানুষের ভান…
যদিও
লোকচক্ষুর আড়ালে নিমজ্জিত রাখে
ঠোঁটের ব্যবহারের আদিম ইচ্ছে পূর্ণ মাত্রায়
বৃষ্টিতে বাগানের প্রতিটা পাতার ডগা এতটা
ভিজে থাকে যে কখনও কারও মনে একবারও উঁকি
দেয় না চড়া রোদ্দুরে পুড়বার বিগত কাহিনী
অথচ
মেঘ চলে গেলে প্রতিবার দেখা যায়
পড়ে আছে পেয়ারার আহত শরীর
যার উপরে পাখীর নখ ও ঠোঁটের উদ্ধত ক্ষত।