গল্পেসল্পে রাজ নন্দী

একটি রাতের
শেষ কবিতা

তখন ঘড়ির কাঁটা দিনের আলো শেষ করে সন্ধ্যাের উপকূলে পা দিয়েছে। বাইরে প্রচন্ড বৃষ্টি ,সঙ্গে মেঘের ডাক । অফিস থেকে বেরিয়ে বেশ খানিকক্ষণ অপেক্ষা করার পর শেষমেষ আধ- ভেজা অবস্থায় বাড়ি ফিরল রাহুল । সিঁড়ি দিয়ে উঠে ব্যাগ থেকে চাবি টা বের করে দরজাটা খুলল এবং ভেতরে ঢুকে তাড়াহুড়ো করে দরজাটা বন্ধ করার আগে বাইরের ঝুল পড়া ডুুম লাইটটা
জ্বালিয়ে দিলো ।
এরপর ভেজা চশমা ও ব্যাগটা
খাটের উপর রেখে তারাহুড়ো করে পরনের
হালকা সবুজ রং এর পাঞ্জাবীটা
খুলতে যাচ্ছিলো কিন্তু বৃষ্টিতে পিঠটা ভেজা
থাকায় একটু আটকে যাচ্ছিল
কিন্ত শেষমেশ দু -একবার চেষ্টা করার পর
পাঞ্জাবীটা খোলে
পাঞ্জাবীটা খুলে কাঠের আলমারি থেকে একসেপ্ট সাদা রঙের পাঞ্জাবি প্যান্ট বের করে,সেটা পরে। এরপর ভেজা চুলটা
আচড়াতে আয়নার সামনে দাঁড়ায়।
কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে ঘরের ঝুল পড়া টিউবলাইটার ভোল্টেসটা low হয়ে গেছে,
তারওপর চশমাটা না থাকলে
ঠিক পরিষ্কার দেখতে পায় না ,
তাই কোনোরকমে চুলটা আচড়ে নেয় ।
চুলটা আচড়ে খাটের উপর রাখা ব্যাগ থেকে আজ অফিসের 10 বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত কবি সমাবেশ অনুষ্ঠানে স্মারক সম্মান হিসাবে পাওয়া একটা ছোট কাগজে মোরা ফটো ফ্রেম বের করে। কাগজে মোড়া ফটো ফ্রেম থেকে কাগজটা খুলে সবে ফটো ফ্রেম টা দেখতে যাবে, ঠিক ওই সময় দরজায় জোরে জোরে কড়া নাড়ানোর আওয়াজ আসে,
আওয়াজ শুনে ফটো ফ্রেমটা না দেখে খাটের পাশে রাখা ছোট টেবিলের ওপর সাজানো বিভিন্ন কবিতার বইয়ের অপর ফটো ফ্রেমটা উল্টো করে রেখে দরজা খুলতে যায় ।
সেই সঙ্গে বাইরে তখন বৃষ্টির মাত্রা ও মেঘের ডাক হঠাৎ আচমকা বেড়ে যায় । দরজাটা খুলতেই রাহুল অবাক!
চোখের সামনে তখন আধভেজা সেকালের রাজবাড়ির আদলে পরা আট পেড়ে শাড়িই মোরা একটা মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে ।
তবে চোখে চশমা না থাকায় মেয়েটার মুখটা ঠিক পরিষ্কার বুঝতে পারছে না । এরপর কিছু বলার আগে মেয়েটা রাহুলকে জানায় সে কলেজের একটা নাটকের অনুষ্ঠান থেকে বাড়ি ফিরছিল , কিন্তু প্রচন্ড বৃষ্টি আর হাওয়ার কারণে গাড়ির চাকাটা খারাপ হয়ে যায় আর তার ওপর বাড়ির বাইরে ডুম লাইটটা জ্বলতে দেখে এখানে আসে ।
এরপর মেয়েটা আর কিছু বলার আগেই রাহুল সবকিছু বুঝতে পেরে মেয়েটাকে ঘরে আসতে বলে ।
মেয়েটা ঘরে ঢুকতেই হঠাৎ ঘরের লাইটটা চলে যায়। সেই সঙ্গে বাইরে মেঘের ডাক ও বিদ্যুৎ ঝলকানি কেমন যেন বেড়েই চলেছে, সেই সঙ্গে প্রচন্ড বৃষ্টির শব্দ ।
লাইটটা চলে যাওয়াই অন্ধকার ঘরে তখন একা রাহুল আর একটা যুবতী মেয়ে । এক অদ্ভুত অনুভূতি রাহুলের শরীরে তখন দোলা দিল । এরপর রাহুল তাড়াতাড়ি পকেট থেকে মোবাইলের ফ্লাশ লাইট টা জ্বালিয়ে মেয়েটাকে একটু দাঁড়াতে বলে , মোমবাতি ধরাতে যায় ।
রাহুলের ঘরে প্রায়ই লাইট চলে যেত তাই রাহুল নিজের তৈরি মোমবাতির একটা স্টান্ট তৈরি করেছিল, আর সেটা সে অন্ধকার ঘরে জ্বালাতো, আর আজও সেই মোমবাতি স্টান্টটা রাহুল জ্বালায় ।
মোমবাতি জ্বলতেই মেয়েটা দেখল, রং উঠা ফাঁটা দেওয়ালের চারধারের দৈর্ঘ্য-প্রস্থ জুড়ে হাজার হাজার কবিদের এক ছোট্ট কুঁড়ে ঘর অর্থাৎ সারা ঘর জুড়ে কবিতা, গল্প, নাটক ও উপন্যাসের বই ছড়ানো , এবং সুন্দরভাবে লাইব্রেরির মত সাজিয়ে রাখা। এরপর রাহুল কিছু বলার আগে
মেয়েটা বলে — বাপরে ! আপনার ঘরে এত বই? আপনি কি কোন লাইব্রেরীতে কাজ করেন? এই শুনে রাহুল একটু হেসে বলে– হ্যাঁ ওই আর কি ! এরপর মেয়েটা আর নিজেকে আটকাতে না পেরে সাঝানো বইয়ের থাক থেকে কয়েকটা বই দেখতে থাকে, এবং দেখতে দেখতে হঠাৎই একটা বইয়ের লেখকের ছবি আর মেয়েটার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা লোকটার ছবি এক দেখে এবং সেইসঙ্গে বইয়ের ভিতরে লেখক এর নাম দেখে রাহুল গাঙ্গুলী সঙ্গে সঙ্গে বইটা নিয়ে রাহুলের কাছে গিয়ে বলে — আপনি সেই রাহুল গাঙ্গুলী?
রাহুল তখন থতমত খেয়ে বলে– হ্যাঁ—- আমার নাম তো রাহুল গাঙ্গুলী!
তখন মেয়েটা বলে— ও মাই গড — আপনি জানেন না আমি আপনার কত বড় ফ্যান, আপনার গল্প নাটক, কবিতা আমি রীতিমত ফলো করি আর আপনার প্রত্যেকটা লেখা এত সুন্দর কি বলবো ।
এই শুনে রাহুল মুচকি হাসে ,কিছু বলে না । এরপর মেয়েটা বলে—- আমি বিশ্বাস করতে পারছিনা যে আজ এই রকম পরিস্থিতিতে আপনার সাথে দেখা হতে পারে , আর সত্যি বলতে আপনি বিশ্বাস করতে পারবেন না, আপনার লেখা নাটক আজ আমাদের কলেজে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যাতে আমি নিজেই অভিনয় করেছি ,এমনকি এই নাটকের সমস্ত পরিকল্পনাটা ও আমি নিজে হাতে করেছি।
এই শুনে রাহুল কি বলবে বুঝতে না পেরে মেয়েটাকে বলে আচ্ছা ঠিক আছে আপনি বসুন আর এই তোয়ালেটা নিয়ে মাথাটা মুছে নিন আর আপনি চা বা কফি কিছু খাবেন?? এর উওরে মেয়েটা বলে—hmm .. ওকে কফি !!
এরপর রাহুল কফি বানাতে পাশের কিচেনে চলে যায়, এবং কফি বানাতে বানাতে দূর থেকে বলে — আচ্ছা আপনি কি কলকাতাতেই থাকেন?? মেয়েটা বলে— হ্যাঁ আমি কলকাতাতেই থাকি। আর আমি সাহিত্যে এমএ করছি, লাস্ট ইয়ার । আচ্ছা আমি শুনেছি রবীন্দ্রনাথের উপর আপনি রিসাচ্ করছেন ! এই শুনে রাহুল বলে– হ্যাঁ ! তবেই আপনি জানলেন কি করে? আমি তো কখনো কোন জায়গায় এই বিষয়টা বলিনি।
এই শুনে মেয়েটা বলে—- এটাই বলে আসল ফ্যান, আর আপনি বললেই যে সব জানা হতে হবে এমনটা তো নয় আর এভাবেও কিছু গোপন কথা জানতে হয় মশাই । এই শুনে রাহুল মুচকি হেসে বলে — ভালো ,ভালো !
এরপর রাহুল কফিটা তৈরি করে মেয়েটাকে দেয়।
এদিকে বাইরে বৃষ্টির সাথে সাথে হালকা হাওয়া দিচ্ছে, আর হাওয়ায় জানালাগুলো ধুম ধাম করে আওয়াজ করছে ।
কফি হাতে নিয়ে কথায় কথায় মেয়েটা রাহুলকে ওর ফ্যামিলি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, এর উত্তরে রাহুল জানায় যে ওর ফ্যামিলিতে মা , আর বোন আছে ।
আসল বাড়ি মেদিনীপুর।
কাজের সূত্রে কলকাতাতেই এই ভাড়া বাড়িতে থাকা। আর বর্তমানে একটা পত্রিকার সম্পাদকের কাজ করছে । এই শোনার পর মেয়েটা রাহুল কে জিজ্ঞাসা করে— আচ্ছা আপনি বিয়ে করবেন কবে? এর উত্তরে আবার রাহুল হেসে বলে সময় হলে ঠিক হবে ।
এইভাবে বেশ কিছুক্ষণ কফি খেতে খেতে গল্প হাসি চলে
এদিকে বাইরে এখনো বৃষ্টির আওয়াজ আর মেঘের ডাক হয়ে চলেছে! সেইসঙ্গে সময়ও মাঝরাতের দিকে একটু একটু করে এগিয়ে চলেছে।
কফি খাওয়া শেষ করে মেয়েটা আবার জিজ্ঞাসা করল—
আচ্ছা আমি যতটুকু শুনেছি আপনি কোন কাজ মানে কবিতা গল্প কিংবা নাটক লিখতে শুরু করলে সেটা শেষ না করে অন্য কোন কাজে হাত দেন না।
এই শুনে রাহুল একটু আশ্চর্য হল। এবং মনে মনে ভাবল আমার এত গোপন কথা মেয়েটার জানলে কি করে?
যাইহোক এর উত্তরে রাহুল বলে- হ্যাঁ কিন্তু আপনি জানলেন কি করে??
এই শুনে মেয়েটা বলে–
আমি যদি ভুল না করি তাহলে বেশ কয়েকদিন আগে আপনি একটা কবিতা শেষ না করে রেখে দিয়েছিলেন!
এই শুনে রাহুল তো পুরো অবাক এবং অবাক হয়ে বলে—
হ্যাঁ কবিতা মানে দুই-তিনদিন আগে লিখেছিলাম বাট শেষটা আসছিল না বলে তাই আর লেখা হয়নি
কিন্তু আপনি তা জানলেন কি করে?
এর উত্তর না দিয়ে মেয়েটা বলে”–
কি! তাহলে আমার কথাই ঠিক!
তাহলে প্লিজ ওই কবিতাটা দেখান না প্লিজ আমি একটু শুনবো!
রাহুল তখন ইতস্তত ভাবে কিছু বুঝে উঠতে পারছিল না চুপচাপ এক জায়গায় দাঁড়িয়ে মৃদু গলায় বলল–
আপনি মানে কিভাবে??
রাহুল আর কিছু বলার আগেই মেয়েটা আবার বলে উঠল—–
কোন কিন্তু না প্লিজ দেখান না আর সত্যি বলতে আমি কবিতা আবৃতি করতে খুব ভালোবাসি আর বলা যায় হয়তো আপনার এই কবিতা আমার গলায় শুনে শেষটা লেখা হয়ে যেতে পারে।
এই শুনে রাহুল আর না করতে পারলো না । টেবিলের কাছে গিয়ে ডাইরির
ভেতর থেকে A/ 4
পেজে লেখা চারটি পেজ বের করল এবং অসম্পূর্ণ লেখা কবিতাটা মেয়েটাকে দিয়ে দিল
কেমন যেন অদ্ভুত ঘটনা এই মুহূর্তে রাহুলের সামনেই হচ্ছে যেটা রাহুল বুঝেও ঠিক বুঝে উঠতে পারছে না,
শুধু নিরর্থক দর্শকের মতো দেখছে শুনছে কিন্তু কিছু বলা হয়ে ওঠছে না
এরপর
রাহুল দেখলো মেয়েটা লেখাটা পেয়ে খুবই খুশি
যেন মনে হচ্ছে কত জন্ম পর তার হারানো কোন প্রিয় জিনিস সে পেয়েছে
লেখাটা পেয়ে মেয়েটা রাহুল কে বলল
আপনি যদি কিছু মনে না করেন তাহলে লেখাটা পড়তে পারি
এর উত্তরে রাহুল সম্মতি জানায়।
এরপর সেই মুহূর্তে মেয়েটা লেখাটা পড়তে আরম্ভ করলো আর রাহুলও নিরর্থক শ্রোতার মতো শুনতে আরম্ভ করলো————
“““
গলির মোড়ে সদর রাস্তা,
মিশকালো রং
বাবরি করা কলপ লাগানো চুল,
আর একটা দীর্ঘ মোটা গলার সুরে কে যেন পূর্ব ইতিহাস বলতে শুরু করেছে ,
সৃষ্টির বৈচিত্র্যে নিঃশব্দের চিহ্ন
যেন জীবনমুখী ,
চারিদিকে তখন সংকেতে , সংকেতে
কবিতা শোনার মেলা বসেছে।
হাজার হাজার পায়ের ছাপ যেন তার দিকে চেয়ে আছে ।

ছায়ারা তখনও কবিকে স্পর্শ করতে পারেনি।
রাতের শেষে ওবেলায় আজ ঠাকুরবাড়িতে অনুষ্ঠান,
নানা রঙের সাজ, শব্দের কোলাহল যেন তাকে নিয়েই ব্যস্ত।

এদিকে একটু দূরে রেলিংয়ের ধার দিয়ে ঘেরা, জালনার আড়ালে খোলা
চুলে ঢাকা এক অজানা
বীজ বোনার সম্পর্ক উঁকি দিচ্ছে ,
আর
অবাক চোখে চেয়ে আছে
ফেলে আসা সেই চিলেকোঠায় প্রথম আলাপ আর,
ঘরের এক কোণ থেকে অন্য কোন ভেসে যাওয়া গানের সুরে ।
হয়তো সেদিনও পুকুর ধারে শূন্যপথে তার হাতে হাত রাখতে চেয়েছিল,
পান পাতায় তার ঠোটে লাল রং হতে চেয়েছিল
কিন্তু হল কয়?
সবইটুকুই তো ছলনা মুড়ে ছিল
শুধু মেনে নেওয়া আর মনে নেওয়া এই দুই ছিল ।
অস্তিত্বের পরিচয় দিতে দিতে বড়
ক্লান্ত হয়ে পরেছিল এ শরীর
হারিয়ে গিয়েছিল ঠাকুরবাড়ীর অবহেলার পাএে
ফেলে আসা কাল্পনিক বাস্তবের সব
প্রতিশ্রুতি আজ অনেকটা রং মেখেছে
যেটা যৌবন বৃষ্টির সাথে শুধু শরীর ভিজিয়েছে
এবার ইতিহাসটা শেষ করতে হবে,
আর যে টুকু বাকি আছে
সে টুকু না হয় গোপনই থাক।
এদিকে অনেকটা বেলা হয়েছে তাই
এক এক করে সমস্ত অতিথিগণ বাড়ী ফিরবে
ঠিক তখনই ,
হঠাৎ করে দো-তলার ঘর থেকে
এক অভিমানি ছায়া চিৎকার করে বলছে—–
“ এই যে respected অতিথি বর্গগন
কান খুলে শুনে রাখুন
যতবার তোমরা তোমাদের
সাধের কবিকে খুঁজতে এই
ঠাকুরবাড়ীতে আসবে
ঠিক ততবারই তার কবিতায় , গল্পে
নাটকে এই হেকেটির ছায়ায় পাবে । । ”
লেখাটা শোনার পর রাহুল পুরো হতভম্ব
লেখাটা কিভাবে সম্পন্ন হল এই চিন্তাটা গভীর হওয়ার আগেই বাইরে প্রচন্ড বৃষ্টির সাথে একটা দমকা হাওয়া ঘরটার ভেতর যেন সব কিছু লন্ডভন্ড করে দিল সঙ্গে সঙ্গেই টেবিলের উপর রাখা আজকের অফিস থেকে পাওয়া সেই ফটো ফ্রেমটা ও চশমাটা পড়ে যায়
সেইসঙ্গে হঠাৎ ঘরের লাইটটা চলে আসে ফেমটা পড়ে যাওয়ার আওয়াজ শুনে রাহুল
তাড়াতাড়ি চশমা আর ফ্রেমটা একসঙ্গে তোলে
এবং চশমাটা তাড়াতাড়ি পড়ে ফ্রেমটার দিকে এক নজর দেয় এবং
ফ্রেমটা দেখে রাহুল পুরো হতভম্ব !
কারণ ফ্রেমটাই যে ছবি আঁকা আছে আর সামনে যে মেয়েটা দাড়িয়ে আছে হুবহু একই রকম দেখতে এবং একই রকম শাড়ি পড়া
তার ওপর ফটো ফ্রেমটার নিচে লেখা আছে কাদম্বরী দেবী ।
রাহুলের চোখ তখন স্থির হয়ে
হতভম্বের মত মেয়েটাকে দেখছে,
বাইরে তখন বৃষ্টির টুপ,টাপ আওয়াজ,
সবকিছু যেন হঠাৎ কেমন আস্তে আস্তে স্থির হয়ে গেল,
সেইসঙ্গে ঘড়ির কাঁটা মাঝ পথেই এগিয়ে গেল–
সঙ্গে সঙ্গেই মঞ্চের উপর লাল নীল হলুদ লাইট জ্বলে উঠলো
আর এসি ঘরে বসে থাকা কানের পাশ থেকে হালকা ঘাম বেরিয়ে আসা ‘শ’ খানেক দর্শকের হাততালির শব্দ বেজে ওঠে ।
সকলেই নাটকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ এবং এই নাটকের পরিচালক ইন্দুকে অভিনন্দন জানাই এবং সেইসঙ্গে এই নাটকটার আরো অনুষ্ঠান করার অনুরোধ রাখে। । ।
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।