সাপ্তাহিক ধারাবাহিকে রিতা মিত্র (পর্ব – ৪)

ডেলো থেকে দার্জিলিং

সকাল দশটা নাগাদ কোলাখাম ছেড়ে আমাদের গাড়ি ডেলো পাহাড় বা ডেলো পার্কের দিকে এগিয়ে চলল। গাড়িতে ওঠার আগে হোমস্টের সেই কুকুর টিকে আদর করে কয়েকটা বিস্কুট দিলাম। ও ছুঁয়েও দেখলো না।
হোমস্টের মালিক বলল কেউ এসে চলে গেলে তার মন খারাপ হয়। তখন কিছু খেতে চায় না। কী আশ্চর্য! এত মমতা এই সামান্য পোষ্যের মনে। কিন্তু ছেড়েতো যেতেই হবে। টাটা করে বিদায় নিলাম।
গাড়ি পাহাড়ি বাঁক পেরোতে লাগল একেরপর এক। অনেকটা পথ পেরিয়ে গাড়ি দাঁড় করিয়ে ড্রাইভার কোথায় যেন গেল। আমাদের বলল আপনারা ততক্ষণ মন্দির দর্শন করে নিন। সামনে একটা সুন্দর মন্দির। পাঁচ ছটা সিঁড়ি ভেঙে বিশাল চত্বর। দুর্গা মন্দির। প্রনাম করলাম। পাশে শিবমন্দির। আরো মন্দির তৈরি হচ্ছে। বেশ চড়া রোদ উঠেছে আজকে। মন্দির চত্বরের আরেক পাশে পাহাড়ের মাথায় নাকি ভোলেনাথের পুরোনো মন্দির আছে। অনেক সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হবে তাই সাহস করিনি। নীচ থেকেই প্রনাম জানালাম। তবে দুই পুত্র তরতর করে উঠে দর্শন সেরে কপালে তিলক লাগিয়ে ফিরে এলো। ড্রাইভারের অপেক্ষা করছি। ব্যাস বেশ কয়েকজন ভিক্ষুক হাত পেতে দাঁড়িয়ে পড়ল। সরে এলাম। এক বৃদ্ধ চুপ করে বসে আছে ভিক্ষার অপেক্ষায়। অল্প কিছু দিলাম। ওমা বাকি গুলো বলছে -আমাদের দিলেন না কেন? বোঝো কান্ড।
দাঁড়িয়ে থাকতে হল দশ মিনিটের বেশি। খেয়াল করলাম যে কয়জন ভিক্ষুক ভিক্ষা করছে তাদের বাড়ি রাস্তার ওপারে। এবং তারা বেশ স্বচ্ছল। দোকান চালাচ্ছে বাড়ির ছেলে পিলেরা।
আমি তো অবাক!
গাড়ি চলল আবার। ডেলো পার্ক। এই নামের সঙ্গে পশ্চিম বঙ্গের সকলেই পরিচিত। যদিও সকলে এখানে ভ্রমণ করতে এসেছেন তা কিন্তু নয়। কারণ বলব? না থাক।
কিছু তথ্য অজানা থাকলেই মঙ্গল। আজ এই গাড়ি ডেলো পার্কে আমাদের ছেড়ে বিদায় নেবে। অন্য গাড়ি আমাদের দার্জিলিং ঘুরিয়ে জলপাই গুড়ি ছাড়বে।
সবুজের চাদর চারিদিকে। দেখতে দেখতে পৌঁছে গেলাম পার্কের দরজায়। পঞ্চাশ টাকা মাথাপিছু টিকিটের দাম। গেটের বাইরে ফুচকার দোকান দেখে জিভে জল। আমার এই নিয়ে দ্বিতীয় বার এই পার্কে আসা।
ও একটা কথা বলতে ভুলেই গেছি। এই পার্কে আসার এক কিলোমিটার আগে থেকেই পথ আটকে কিছু লোকাল মানুষ জিজ্ঞাসা করতে শুরু করে যে প্যারাগ্লাইডিং করব কিনা। পার্কের কিছু আগে একটি পাহাড় চুড়ায় এই গ্লাইডিং ক্লাব আছে। কিন্তু টাকার অঙ্ক শুনে পিলে চমকে যাবে। মাথা পিছু পাঁচ হাজার ছয় হাজার টাকা তাও সময় দশ থেকে পনেরো মিনিট। প্রতাপের ইচ্ছে ছিল কিন্তু এত টাকা শুনে। ইচ্ছে দমন করতে হল।
পার্কের গেট দিয়ে ঢুকতেই একজন গোরখালি মহিলা টিকিট দেখতে চাইলেন। আমরা ধীর পায়ে এগিয়ে যাচ্ছি। ছেলে দুটো I Love Kalinpong লেখা জায়গায় গিয়ে ছবি তুলে এলো। আজকাল সব জায়গায় আই লাভ হেন তেন র বোর্ড লাগানো আছে। যাক সে কথা।
ডেলো পাহাড় সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ১৭০৪ মিটার উপরে অবস্থান করে এখান থেকে ৩৬০°কালিঙ্গপঙ্গ শহরটি দেখা যায় । এর একদিকের খাদ। দুরে তিস্তা নদী বয়ে যাচ্ছে । এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা খুব সুন্দর দেখা যায়। গতবার দেখেছিলাম। ছবিও তুলে ছিলাম কিন্তু এবার কপাল মন্দ ঘোলাটে আকাশ বেশ মেঘ জমে আছে পাহাড়ের গায়ে তাই কিছুই দেখা গেল না। প্রতাপ সুর করে বলে উঠল আমার কপালে কি কাঞ্চনজঙ্ঘার দর্শন লেখা নেই? আমি কি তার দেখা পাবনা। ওর বলার কায়দা শুনে আমরা সকলে হেসে উঠলাম। কিন্তু ওর দূ:খটা বুঝতে পারছি। ওর এই প্রথম কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে আসা তাই উৎসাহ উদ্দীপনার মাত্রাও বেশি। বাকি সকলে কম পক্ষে দু চারবার কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শন করেছি সিক্কিম বা দার্জিলিং থেকে।
যাক প্রতাপ ফোটোসুটে ব্যস্ত হল ক্যামেরার দায়িত্ব স্বরাজের। আমরা এদিক ওদিক ঘুরলাম। দিদি বেঞ্চে বসে থাকল। গতবার এখানে দুটো ঘোড়া দেখেছিলাম। বাচ্চাদের পীঠে করে ঘোরাচ্ছেন। এবার নেই। এবার বেরিয়ে এলাম। ফুচকা খাব বলে লোকটাকে খুঁজছি। দেখা পেলাম। ফুচকা মুখে দিয়ে দিন বরবাদ। কী বাজে খেতে। ইচ্ছের দফারফা। যাক। গাড়ির মালপত্র অন্য গাড়িতে তোলা হল এবার নতুন ড্রাইভার আমাদের দার্জিলিং এর পথে নিয়ে চলল।
দার্জিলিং নামটার মধ্যেই একটা জাদু লুকিয়ে আছে। চোখের সামনে পাহাড়ের গায়ে বেয়ে উঠে যাচ্ছে টয় ট্রেনের ছবি ভেসে ওঠে। সেই হেরিটেজ কে ছুঁয়ে দেখা স্বপ্ন সত্যি হতে চলেছে। সকলের মনে আনন্দ।

দার্জিলিং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি শহর ও পুরসভা। বৃটিশ শাসন কালে গরমের সময় সাহেব বাবুরা এখান থেকে শাসনের কাজকর্ম করতেন। তাই গ্রীষ্মকালীন রাজধানী ও বলে অনেকে।
এই শহর শিবালিক পর্বতশ্রেণী অন্তরভুক্ত। শহরটি চা শিল্পের জন্য বিশ্ববিখ্যাত। আর রয়েছে ইউনেস্কো সার্টিফাইড ঐতিহাসিক হিমালয় রেল। টয় ট্রেন। আমাদের গাড়ি দার্জিলিং টয় ট্রেন এর স্টেশনের পাশ দিয়ে আরো উপরের দিকে উঠে গেল।
গান্ধী রোডে হোটেল ফেয়র মাউন্ট এ বুকিং আছে। সেখানে পৌছে মালপত্র রেখে দুপুরের খাবারের খোঁজে বেরুতে হল। এই হোটেলে নিজেদের রেস্টুরেন্ট নেই পাশেই একটা রেস্টুরেন্ট রয়েছে সেখানে দুপুরের খাবার সেরে গাড়ির অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছি । এবার যাব দার্জিলিং চিড়িয়াখানা।
দিদি গেটের কাছে গিয়ে সিঁড়ি দেখে উপরে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল আমরা চারজন টিকিট কেটে ঢুকলাম। লাল পান্ডা দেখার ইচ্ছে ছিল। দেখলাম। ছবিও তুললাম। কত রকমের হিমালয়ন পাখি। কত রকমের রঙের বাহার। চোখ ফেরানো যায়না। অনেক জন্তুজানোয়ার রয়েছে। স্নো লেপার্ড দেখলাম। নাদুসনুদুস লোমশ যেন সফ্ট টয়েস। আরো কত রকমের হরিণ। বিশাল জায়গা জুড়ে এর ব্যপ্তি। হাঁটতে হাঁটতে পা ব্যথা হয়ে গেল। এর একদিকে রয়েছে মাউন্টেনিয়ারিং ক্লাব। তেনজিং নোরগের নামে। বিশাল মিউজিয়াম। পুরোটা ঘুরে দেখলাম। বেরোবার পথে বড়ো বড়ো তিন খানা খাঁচায় তিনটে রয়েল বেঙ্গল টাইগার দেখলাম। একজন ক্রমশ পাইচারি করে চলেছে। গরম গরম ভুট্টা ভাজা খেতে খেতে গাড়িতে উঠে আবার শহরের বুকে ম্যাল রোডে নামলাম। দোকানে ছড়াছড়ি। বিকিকিনির পসরা সাজিয়ে বসেছে। অসংখ্য খাবারের দোকান। মোমো। চিলি চিকেন থেকে চিকেনের হরেক রকম পদ বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু চায়ের শহরে চা পাওয়া যাচ্ছে না। বাঙালি চা না পেলে পাগল। মন চা চা করে ডাকছে। কিন্তু কোনো চাচার চায়ের দোকান নজরে পড়ছে না। একজনকে জিজ্ঞাসা করলাম বলল এখানে চায়ের দোকান নেই। রাস্তায় ফ্লাক্সে করে চা বিক্রি হয়। বলে দেখিয়ে দিল। একজন মহিলা চা বিক্রি করছেন। পাঁচ কাপ চা নেওয়া হল। আহা কী শান্তি।
কিছু ক্ষণ ঘোরাঘুরি করে অল্প কেনাকাটা করে হোটেলে ফিরলাম। পরিশ্রান্ত শরীর বিশ্রাম চাইছে। সকলে গরম জলে হাত পা ধুয়ে ফ্রেস হয়ে নিলাম।
রাতে খাবার দুই ছেলে বাইরে থেকে কিনে নিয়ে এলো। এবার নিদ্রা দেবির কোলে ঢোলে পড়লাম। রাতে খুব বৃষ্টি হয়েছে বুঝতে পারছিলাম

খুব সকাল ঘুম ভেঙে গেল জানালা খুলে দেখলাম আকাশ অনেক পরিস্কার। ঠাকুরকে ডাকলাম আজ যেন কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পারে ছেলে দুটো। বিশেষ করে প্রতাপ। পাপিয়া দিই ঘুম থেকে উঠেই চায়ের খোঁজে বেরিয়ে পড়েছে। হঠাৎ দরজায় জোরে জোরে ধাক্কা দিল কেউ। বুকটা ধড়াস করে উঠল কী হলরে বাবা কে এমন ধাক্কা দিচ্ছে! দেখি স্বরাজ দাঁড়িয়ে। ও মাসিমণি শিগগির ছাদে চলো। কেন? কী হল? আরে চল না। ছাদে পৌছে দেখি কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যাচ্ছে। প্রতাপের যে কী আনন্দ। ওর চোখেমুখে ধরা দিচ্ছে। ঠান্ডা হাওয়া হু হু করে বইছে। কিন্তু কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার খুশিতে ভ্রুক্ষেপ নেই কারুর। নীচে নেমে। তৈরি হয়ে চললাম টয় ট্রেন চড়বার জন্য। হোটেলের পেছন দিয়ে পাহাড়ি সিঁড়ি ধরে নেমে কিছুটা হাঁটলেই
দার্জিলিং স্টেশন।

কাউন্টর খোলেনি। দুই ধরনের টিকিট একটা পনেরোশ টাকা একটা হাজার। পনেরোশ টাকার ট্রেন টি কয়লা ট্রেন ইন্জিনের মাথা দিয়ে ধোয়া ছাড়ে। আর আরেকটা ইলেকট্রিক ট্রেন।
অত টাকা শুনে মনটা খারাপ হল। ঠিক করলাম হাজার টাকার টিকিট নেওয়া হবে। ততক্ষণে জলখাবার খেয়ে নেওয়া যাক সামনে একটা হোটেলে ইডলি অর্ডার করা হল ছেলে দুটো চাউমিন খেল। চা খেয়ে ছবি তুলতে তুলতে কাউন্টর খুলে গেল টিকিট নিয়ে টয় ট্রেন যাত্রা শুরু। বেশ রোমাঞ্চকর। ধীরে ধীরে ট্রেন চলছে পাশের রাস্তা দিয়ে গাড়ি যানবাহন চলাচল করছে। প্রথম গিয়ে থামল বাতাসিয়া লুপ। দশ মিনিট সময়। তাড়াতাড়ি চারিদিক ঘুরতে হবে। তখন ওখানে মেরামতির কাজ চলছে। এতদিন শুধু টিভিতে দেখেছি। একটা লম্বা পিতা আর তার সামনে এক সিপাহী মাথা নিচু কে দাঁড়িয়ে আছে তার পেছনে কাঞ্চনজঙ্ঘা। আহা। আজ সেই অনুভূতি কে ছু্ঁয়ে দেখার সৌভাগ্য হল।
পরের স্টেশন ঘুম। এখানে কুড়ি মিনিট দেওয়া হল সময়। ঘুম মিউজিয়াম ঘুরে দেখে তার ইতিহাস জেনে আবার ট্রেন যাত্রা। দার্জিলিং স্টেশন এবার আমাদের গাড়ি চলে এসেছে। আমাদের নিয়ে ঘুম স্টেশনের কাছে ইইগা চাওলিং বা ওল্ড ঘুম মনেস্ট্রি। ১৮৫০ সালে এর স্থাপনা হয়। সেখান থেকে লোক গার্ডেন। তারপর শান্তি স্তুপ। দুপুর বেশ গড়িয়ে এসেছে। খিদের পাচ্ছে । গাড়ি ম্যাল রোডে নামিয়ে আজকের মতো বিদায় নিলো। দুপুরের খাওয়া খেয়ে হোটেলে ফিরলাম।
বিকেলে হেঁটেই ম্যাল রোড ঘুরতে গেলাম উপরে একটি মহাকাল মন্দির আছে সেটা দর্শন করব। দিদিকে রোড সাইডের বেঞ্চে বসিয়ে আমরা সিঁড়ি বেয়ে মহাকাল মন্দির দর্শন করে অল্প কেনাকাটা করে দিদিকে যেখানে বসিয়ে গিয়েছিলাম সেখানে গিয়ে তাকে পাইনি। ভাবলাম হোটেলে ফিরে এসেছে। হোটেলে দেখি ঘর তালা দেওয়া। ফোন করি ফোন লাগেনা। সে কী অবস্থা। ছেলে দুটো এসে গেলে তাদের বললাম। দিদিকে পাচ্ছি না। জিনিস পত্র ওদের রুমে রেখে আমি আর স্বরাজ আবার হাঁটা দিলাম। আমাকে চিন্তা করতে বারন করছে বারবার। কিন্তু বুক তো ধুকপুক করছে না জানি কী হল । জোরে জোরে হেঁটে স্বরাজ পৌছল আগে, গিয়ে দেখে দিদি যথা স্থানে বসে আছে। তাহলে আমি কেন খুঁজে পেলাম না তখন!
ধড়ে প্রান ফিরে এলো। আবার একবার কেনাকাটার পর্ব শুরু। চা পাতা, শাল শুয়েটার এই সব। ফিরে এসে হোটেলে চায়ের অর্ডার।
রাতেও হোটেল থেকে রুমে খাবার দিয়ে যেতে বললাম।
পরের দিন সকালে রুমে জলখাবার খেয়ে তৈরি হয়ে নিলাম। রুম ছেড়ে দিতে হবে। কিন্তু ড্রাইভার আসবে এগারোটার সময়। যথারীতি আবার বাজার মুখো হলাম বহু প্রচলিত ও প্রসিদ্ধ কেভেন্টর কেবিন গেলাম। কিন্তু বসার জায়গা নেই। গত সন্ধ্যাতেও ভিড়ের জন্য ঢোকা যায়নি। যাক আবার হবে কোনোদিন। এদিক সেদিক ঘুরে সবাই ঠিক করলাম দুপুরের খাবার খেয়ে নেওয়া ভালো।
এবার আমাদের দার্জিলিংকে বিদায় বলার পালা। ফিরতি পথে হংকং মার্কেট হয়ে জলপাই গুড়ি পাপিয়াদির আতিথেয়তা গ্রহন করলাম। রাতে রান্নার দায়িত্ব দুই ছেলে নিয়ে নিল। মটন কষা ও ফ্রাইড রাইস। অসাধারণ রান্না। পরের দিন সকাল থেকে পাপিয়াদি রান্না ঘরে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। দুপুরের পঞ্চ ব্যঞ্জন পরিবেশন করলেন। এবং রাতে ট্রেনের জন্য টিফিন পর্যন্ত প্যাক করে দিলেন। বিকেলে স্টেশনে ছাড়তে এলেন। জানা গেল ট্রেন লেট। কোথায় তারে আগুন লেগেছে। ট্রেন এলে লাগেজ তুলতে স্বরাজ সাহায্য করল।
দুই ছেলে সত্যি খুব ভালো ছেলে। তিন বুড়িকে নিয়ে আনন্দে ঘুরে এলো। এতক্ষন যে প্রতাপ বলে ছেলেটির কথা বলছিলাম। আজ পশ্চিম বঙ্গের প্রায় লোকে তাকে চেনে। জী বাংলার ডান্স বাংলা ডান্স প্রোগ্রামের মাধ্যমে। সে একজন ভালো মানের করিয়োগ্রাফার প্রতাপ রায়। আরেক জন সেও বড়ো মাপের ক্লাসিকল ও দুম্বা ডান্সর। আমাদের আদরের দুই ছেলে।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।