দিব্যি কাব্যিতে রিতা মিত্র

থাবা
জানালার পাশে দাঁড়িয়ে দেখতাম
ডোরাকাটা লোমশ খোল পরে অন্ধকার হামাগুড়ি দিয়ে নেমে আসত লোকালয়ে
হিংস্র থাবার আঁচড় কাটত মানুষের শরীরে
থাবায় লেগে থাকত নোনা রক্তের দাগ
গলার স্বরে তৃপ্তির হুঙ্কার
হাজার চেষ্টা করেও একটা বাঘ কেও কেউ ধরতে পারেনি কোনোদিন
জনমানুষের তাড়া খেয়ে লুকিয়ে পড়ত অন্ধকারের শূন্যতার ভেতর
আজকাল সন্ধার পর বাঘের গর্জন শোনা যায় না।
তবুও রয়ে গেছে অদৃশ্য থাবা, যার লালসা বোঝে না দিন রাতে অন্তর। যার নখর থাবায়, মানবী মাংসের লিপ্সা।