কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে রবীন জাকারিয়া

১| মে এসেছে
মে এসেছে, মে এসেছে
সাজাও শহর নগর
মজুর তোরা নীচে বসে
শুনবি চোরের বগর
আট ঘন্টার কাজের জন্য
রক্ত দিলি তোরা
তোরাই খাটিস সারাবেলা
রক্ত চোষে ওরা
মে এসেছে মে এসেছে
পড়াও ফুলের মালা
দিনটি ওদের শুধুই দিবস
কারখানাটায় তালা
মে এসেছে মে এসেছে
দিবি জোড়ে লাফ
ক’দিন পরে ভূলবি তোরা
নামটি নিজের বাপ৷
২| ক্ষমতার মসনদ
দেশটা যদি কোন শত্রুর কবলে পড়ে
আমি আমার সন্তানকে বলবো
পালিয়ে যাও৷
নিজের অথবা জাতীয় পরিচয় ভুলে যাও!
বেঁচে থাকার জন্য যদি শত্রুর সাথে
হাত মেলাতে হয়,
মিলিয়ে নিবে৷
এদেশ কখনো বীরের প্রকৃত মর্যাদা
দিতে শেখেনি৷
কখনো শেখবেও না৷
এখানে লাশের স্থুপে বসিয়েছে
ক্ষমতার মসনদ৷
দুর্ণীতি আর সিন্ডিকেটের ডনকে
জাতীয় পদক দেই৷
অপরাধিকে বিচারের আওতায় আনতে না পেরে
অভিশাপ দেয় প্রশাসক!
জনতার কাতারে, ক্ষমতাহীন জনতার ন্যায়
অন্যায়ের প্রতিবাদ করে মন্ত্রী৷
তবে কি দুর্ণীতিবাজরাই শাসন করে দেশ?
লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত
আমার সোনার বাংলাদেশ?