কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে রুকসানা হক

আগুনে ও অঙ্গারে
“তুমি কে” এই প্রশ্ন শুনেই আমি পাঠ করে নিলাম
আগুন আর অঙ্গারের অনুলিপি
অন্ধকারের কোন আক্ষরিক অনুবাদ নেই জেনেও কিনে নেই কালান্ধ অন্ধকার
ডানার বরফ মুছে মেঘ ওড়ে চলে দৃপ্ত সুখে
আমিও তপ্ত ছাই ঝেড়ে উড়তে থাকি অন্ধ আকাশে।
আমি কে ? আমি কেউ না,
মৃত প্রিয়জনের মরে যাওয়া অংশ আমি
প্রীতিলতার আঁচলে ওড়াই মাস্টার দা’র স্বদেশী আন্দোলন
এ যুগের চে গুয়েভারাকে খুঁজি চে ব্রান্ডের বক্ষাংশ ভেদ করে
মাও লেনিন ক্যাস্ট্রোর তীব্র পদধ্বনি শুনতে পাই ঝুলন্ত তপ্ত হাওয়ায়।
“তুমি কে?” এই প্রশ্নের সাথেই বর্ণময় হয়ে ওঠে
আমার ভুলভাবে বেঁচে থাকার ক্লান্তি বোধ
বিপ্লবমুখর ইতিহাসে ধূলো জমে
বাতাসেও লাগে সেই ধূলোর আঁচড়
আগুনে ও অঙ্গারে পুড়ে খাক সহস্র সমুদ্র
আমিও প্রশ্ন করি পতনের নীতি আছে? অন্ধত্বের ইতিহাস ?
রজঃস্বলা রাতের পাড় ভাঙে অনুবাদহীন অন্ধকার
আমার লাশের গায়ে ঘুম রেখে যায় বিপ্লবী ননীবালার চিৎকার।