কবিতায় রাজেশ গঙ্গোপাধ্যায়

কারণ
মেঘ সংক্রমণের নিক্তি মেপে দেওয়া বর্ষাকাল ফুরোনোর প্রাকমুহূর্তে
বর্ষণকে আদর করে ‘বারিষ’ বলায় যখন ঘনিয়ে ওঠে গূঢ় সম্মোহ
অবরোধী সমীহর কাছে বিভাবে বিকিয়ে যায় অন্তর্লীন ব্যাথার কণারা
লেশমাত্র পর্জন্যও কোন ঋণ রাখেনি অদেয়…আর্দ্রতার থেকে নেওয়া জলদাগগুলো
রয়ে গেছে প্রাচীন পরিখা পাশে…কে যেন হারিয়ে খুঁজেছে গভীরে প্রপাত চিহ্ন
আবছায়া স্বরলিপি সংবেদে করুণ রঁদেভ্যু…যার অনুরণনের দায় নেই
প্রাণিত হওয়ার ভেতরে যে হদিশ রাখা থাকে…ঠাহর করতে গিয়ে
লগ্নতা ছেয়ে আসে উপর্যুপরি…কালরাত্রির কাছে রাখা থাকে ঋণ
তূণীরে অন্ধ হাওয়া…ভুলের প্রতীক…নিক্ষেপে বিদ্ধ হওয়া প্রতিবর্ত ক্রিয়া
পুনশ্চের সামান্যেই যে রশ্মির দায়িত্ত্ব পালিত হয় প্রতিসরণের নীতি মেনে
তার কাছে জিম্মা থাকে অনুধাবনের পাড়া দিয়ে হেঁটে যাওয়া একলা বিকেল
‘হৃদয়ের একুল ওকুল দুকুল ভেসে যায়’…