T3 || সমবেত চিৎকার || বিশেষ সংখ্যায় রত্না দাস

বাঁচতে হবে বাঁচতে হবে
আর ক’টা বিধ্বস্ত,বিবস্ত্রা লাশ পেলে দেশ, হিমালয় শিখরে চড়বে!
যতই নৃমুন্ডমালিনী, দনুজদলনী বলা হোক, সেই ধর্ষণাসুরের পায়েই দলবে
আরে রাবণ তো দশমাথাতেও মো’লো, দুগ্গি নাকি লড়েছিল দশ হাতে
কেউ কী দেখেছে স্বচক্ষে! সবই তো লেখা আছে পুঁথির পাতে
বর্তমানে সার্বজনীন জননী কাম ক্লাবপুজোর হয়েছে পান্ডি
আরে ওসব ছাড়। হয়ে যা পুরো কলার ওল্টানো গুন্ডি!
পথে কেন দেরি, মা বাজিয়োনা ভেরি। ওগুলো সব কর পাসটেন্স
কুংফু, ক্যারাটে, তাইকুন্ডে… জমিয়ে করতে হবে লস্ট সেন্স
সুরূপা, কুরূপা সব সাইডে থাক হতে হবে যোদ্ধা চিত্রাঙ্গদা
মিনিমাম চান্স পেলেই সোজা ঊরুর মাঝে ভাঙতে হবে গদা
নেকুপুষু মামণী, ঢলঢল লাবণী অনেক তো হলো নষ্টামো
মেয়ে এখন হবে পুরো ধানীলঙ্কা, ভুলিয়ে দেবে সবরকম ধাষ্টামো
কখনো কুস্তির আখড়ায়, কখনো কাজের জায়গায় বারবার হয় অপমান
জাগার সময় হলো মাগো, এবার রাখতে হবে নিজেকেই নিজের সম্মান-
নাহলে লিস্টি লম্বাচওড়া, বেড়েই যাবে তাই নাকি!
কখনো পুষ্পা, আসিফা কখনো হবে জিভ ছেঁড়া মণিষা বাল্মিকী…
বিচার তো এক দীর্ঘসূত্রিতা, নাম পঞ্চবার্ষিকী
টুম্পা, মৌসুমী কোর্ট থেকে কোর্ট দৌড়াবে, কখনো থামবে কী!
অধিকার তো কেউ দেয়না, নিজেকেই ছিনিয়ে নিতে হয়
লড়াইটা যদি মজবুত জোরালো, একদিন ঠিক জুটবে জয়
বাড়ি থেকে বেরোতে হলে, এবার সুইচ লাগানো ইলেক্ট্রিক বর্ম
ছুঁলেই চারশো চল্লিশ ভোল্ট লাগবে, রেপিস্টদের খতম করার কর্ম!