কবিতায় রত্না দাস

ভালোবাসা এক নাম
ঈশ্বর পা মেলে বসলেন। পায়ের নীচে বয়ে চলেছে স্রোতস্বিনী, দূরে সারি সারি পাহাড় শ্রেণী।
সৃষ্টিকর্তা একলাটি বসে ভাবেন, তিনি শিব গড়তে কি বাঁদর গড়লেন!
কোথায় অপরূপা ধরণী!
চিতাগ্নির আগুন হোমাগ্নির মতো লাল টকটকে। আলো… কালো হয়ে ছড়িয়ে আকাশে বাতাসে…
তার সৃষ্ট খেলনাপুতুলগুলো লোভাগ্নিকে, কামাগ্নি থেকে দাবাগ্নিতে নিয়ে গেল।
মানুষ সভ্যতার অশ্বে আরুঢ় হয়ে অসভ্য বন্য বর্বরের মতো আচরণ করলো।
প্রথম যেদিন আগুনের ব্যবহার শিখেছিল সেদিন প্রয়োজনকে সঙ্গ দিয়েছিল।
আজ অপ্রয়োজনীয় আগুনে উড়ায় মনুষ্যত্বের ছাই!
ঈশ্বর অসহায় হয়ে তাকিয়ে থাকেন। আজ তার হাতে আর রথের রশি নেই।
তিনি অপেক্ষা করছেন একটা অশ্বমেধ যজ্ঞের।
সব অহং বিসর্জিত হয়ে যজ্ঞাগ্নি থেকে উদ্ভূত হবে নতুন যুগ।
নাম… ভালোবাসা।