কবিতায় রত্না দাস

সংঘমিত্তা
টুপটুপ সকাল শিশির খসে পড়ছে আঁচলে
সংঘমিত্রা চুপচুপ নিস্তব্ধতায় ।
পিতার আদেশ শিরোধার্য্য, যেতে হবে, সিন্ধুর টিপ সিংহল দ্বীপে।
যৌবন বিকশিত হতে না হতেই বিবাহ। প্রেম প্রকাশিত হতে না হতেই মুন্ডিত মস্তকে থেরী
গলায় গীত বুদ্ধগাথা
সমর্পিত প্রাণ করুণাঘন’র চরণপ্রান্তে ।
এক নারীর নারীত্ব পূর্ণ হয় মাতৃদীক্ষায় নয় বৌদ্ধদর্শন শিক্ষায়।
না জানি সে সিংহল দেশ কেমন
সেখানে আছে কোন সে স্বজন,
যাদের প্রেম ও করুণায় করতে হবে আপন!
উঠে দাঁড়ায় সংঘমিত্রা।
নাহ্ কোনো চিত্তদৌর্বল্য তার শোভা বাড়াবেনা
সে পাড়ি দেবে উজ্জয়িনী থেকে সিংহল
অসীম প্রাপ্তি হবে তার — অর্হৎ।
সেই তো পরমধর্ম জীবনে।
অবলোকিতেশ্বর পদ্মপাণি —
তাঁর কারণেই থাক এ জীবনখানি।
ধন্য হোক, পূণ্য হোক
পরমকারুণিকের অমৃতবাণীতে
তিনি সংঘমিত্তা, তিনি আয়াপালি।
বসন্ত বাতাস তাকে ছুঁয়েছিল কিনা, ইতিহাস খোঁজ রাখেনি।
Sohoj Saral kichu likhun facebook ei rochonar mullya ki Jane bhalo thakben