কবিতায় রত্না দাস

পোস্টমর্টেম
শরীরের পোস্টমর্টেম হয় লাশকাটা ঘরে
মনের পোস্টমর্টেমে ঠিক কতটা রক্ত ঝরে!
শরীর তো মৃত্যুতেই শেষকথা লেখে
মনে মৃত্যু আসে,তবুও জীবন পেয়ে বেঁচে ওঠে
শরীর ও মন একই শব্দের কী দুই পিঠ
তবে বোঝা যায় না কে কাকে কতটা ছাড়বে সিট!
প্রেম চয়নিকা হয়ে শরীর ও মনের মেল মিলাপ রচে
মনের বেয়াড়া জিদ্দি স্বভাবে, শুরু হতে না হতেই শেষের বাঁশি বাজে
মন মাঝে মাঝে নিষ্পত্র। ফুল, ফল শাখাপ্রশাখা বিহীন
বসন্ত দরজায় এলেও চলে গেছে থামিয়ে তার বাসন্তী বীণ
শরীর বিশীর্ণ শুষ্কতায় কোঁচকানো চামড়াতেও নির্ভরতা খোঁজে
মনের এসব ঝামেলা নেই, কাঁদুনি লাগিয়ে রাখে আমাকে কে আর বোঝে!
অঙ্গাঙ্গী সম্পর্ক দেহ, মন, আত্মা সম্মিলিত সম্পূরক
একজনের ফিউজ উড়ে গেলে অন্যজনকে হতেই হয় বাধ্যবাধক
দুজনের হাত ধরাধরি বয়সন্ধি পর্যায়েই ডানা মেলে
তারপর ভাটি উজান সাঁতরে বেড়ায় ভাবননদীতে নাও ঠেলে
জন্ম থেকে জন্মান্তরে বয়ে যায় এক স্রোত ঐতিহাসিক
ভালোমন্দের বিচার কে করে! কারোরই নেই মাথার ঠিক।