কবিতায় বলরুমে রীতা চক্রবর্তী

নীল মাধব
ছড়িয়ে আছ জড়িয়ে আছ প্রেয়সী আমার।
হাতে নিয়ে সবুজের পতাকা ;
চিরসুন্দরের আরতির অর্ঘ্য ভরে দিয়ে
সাজিয়েছ তোমার পূজার থালা।
আবিররাঙা সূর্য যখন ভোর আকাশের নীলপটে মেঘ পাহাড়ের দুধসাদা ওই পথ বেয়ে,
এগিয়ে চলে ভরে দিতে লাজরাঙা মন এই বসুধার জীবনডালা।
আমি তখন অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকি সূর্যতপা আকাশ পানে দূরে পথের আড়ে।
কে আছে ওই দৃষ্টি অগোচরে!
যার ইশারাতে চাঁদ সূর্য বিরামবিহীন চলছে ছুটে অগমপুরের পাড়ে!
মন পুলকে পেখম ধরে, ময়ূর যেন ভরা বাদল বায়।
চিত্রকরের চিত্রকলা বিচিত্র তার বরন নিয়ে সুশোভিত বনবীথির রঙিন বনচ্ছায়ে।
তাই দেখি তার সবুজ বাহার অম্লজানের পাত্র নিয়ে
দাঁড়িয়ে আছে পঞ্চবটির স্নিগ্ধ শীতল ছায়ে।
অঙ্গারে তার কন্ঠে ধারণ করেন সদাশিব।
সেই হলাহল বক্ষে নিয়ে দারুপতি হলেন নীলমাধব। অঙ্গরাগে কৃষ্ণমসী প্রলেপ নিলেন।
অসীম জগৎ বাঁচল তখন বৃক্ষপতি জগন্নাথের অসীম করুনায়।
মুক্তা ভরা সাগর পায়ে মাথার ওপর আকাশছাদ।
স্বপ্ন আঁকা রামধনু রং দিনমনি পরপাড়ে যায় চলে।
দৃষ্টিতে আজ পরছে ধরা রঙিন তোমার সৃষ্টিজগৎ।
মুগ্ধ আমি দেখে তোমার চরৈবেতির কৌশলে।