কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে রুমকি আনোয়ার

ভালবাসার পদাবলী
শোন মেয়ে কুয়াশার ঠোঁট থেকে বেদনার শব্দাবলী শোনো
গাঙের তল ছোঁয়া মৎস্য ডানার প্রেম অনিকেত সময়ের ঘরে –
জীবনের তৃষিত স্বপ্ন আজন্ম অভিলাষ
হৃদয় বন্দরে একদিন তোর গোলাপ ফুটাবো ।
আমি হবো তোরই বাসর , তোর বেদনা ছুঁয়ে নিয়নের বুদ্বুদ
গিলে খাবো ,নিরবধি কাঙালের কৃপাণ হবো ,
হাসতে কেন ভুলে গেলি ,আয়নায় বড় মলিন মুখ ,
চেয়ে দেখ নিজের প্রতিবিম্ব অচেনা মনে হবে তোর ।
কামনার গোলাপ রাঙা সুন্দরী রাতে ঘি আর চন্দন মাখানো প্রদীপ
উষ্ণতার আলিঙ্গনে ভিজাবো তোকে সঙ্গীতের মূর্ছনায় ধ্রুপদী নৃত্যে ,
শুধু একবার হেসে দেখ নিষিদ্ধ প্রহরগুলো কিভাবে ছিনিয়ে নেই আমি
বুক চিঁরে আসা দীর্ঘ নিঃশ্বাসে আগুন ধরিয়ে দিব ।
শরীরে নিবো পাপ তুই আর আমি আরাধ্যবেলায় ,
লৌকিক ,অলৌকিক অনাচার বর্ষায় ধুয়ে যাবে সব
আর যদি না হাসিস জেনে রাখিস জীবন হবে বধ্যভূমি
কোদাল ,কঞ্চি দিয়ে যখন গোঁড় খুঁড়বি আমার
তখন দেখবি আমার ডায়েরীর পাতা গুলো নীল আকাশে উড়ে
তোকে উৎসর্গ করে গেলাম মৃতের উৎসব গুলো ।
আকাশের উপরেও যে আকাশ সেখানে জলছবি আঁকা আছে তোর ,
একদিন একঝাক পাখি এসে বসবে তোর বিবর্ণ চাঁদের উঠোনে ।।