T3 || ১লা বৈশাখ || বিশেষ সংখ্যায় পরেশ নাথ কোনার

আবার যদি ডাকি
আবার যদি ডাকি তোর নাম ধরে
নীচু স্বরে ভর দুপুরে
তুই তখন জানালা খুলে আগের মতো
দিবি সারা হাসি মুখে?
তোর ভয় মেশানো মুখ
এদিক ওদিক চাওয়া
ইশারাতে জানাতিস সম্মতি ,
আমি ধীর পায়ে নদীর ধারে এসে
বসি ,তোর পথ চেয়ে
মাপি জলের গতি।
সেকেন্ড মিনিট যেন কত সময়
সেকেন্ড নয়তো যেন ঘন্টা
হু হু করে বইছে বাতাস সঙ্গে বাড়ে উৎকণ্ঠা
পড়লি বুঝি মায়ের হাতে ধরা
এই দুপুরে সবাই যখন জিরোয়
মা ছাড়া,মা রা কেন এমন হয় বলতো
সৃষ্টি ছাড়া!
চারিদিকে শুনশান
বইছে গরম হাওয়া
পড়ছে ঝরে একটা দুটো শুকনো পাতা
গামছা মাথায় শুয়ে গাছের ছায়ায়
পথিক , জলের মধ্যে লেজ ডুবিয়ে কুকুর,
অলস সে দুপুর
বন্দী সবাই ঘরে আগুন ঝরে পড়ে
প্রেমিক পাগল যারা
আমার মতো ছন্নছাড়া
এই দুপুরে তারাই অভিসারে।
হাতে নোটের খাতা
রাণুর বাড়ি যেতে হবে রাণু দিচ্ছে তাড়া
স্নেহে অন্ধ বোকা মা দিতেন অনুমতি
পাছে পড়ার হয় ক্ষতি।
পড়ার কোন সময় হয় নাকি
ফেল তো করে তারা যারা সময় দেখে
পড়ায় দেয় ফাঁকি।
খুঁটোয় বাঁধা বাছুর
পেয়েছে ছাড়া দে দৌড় দে দৌড়
সো-ও–জা নদীর ঘাট
সেথায় বসে বড় লাট
নৌকা চড়ে হারিয়ে যেতাম দূর দূর দেশে
যেথায় কেউ চেনে না ছিল না কোন ভয়
শুধু তুই আর আমি অথৈ জলে
তখন কে ভেবেছে কী হবে
হঠাৎ করে ঝড় বৃষ্টি এলে।
নদীর জলে ছোট্ট ছোট্ট ঢেউ
দুজনেতে হারিয়ে যেতাম টের পেতো না কেউ
পড়ার নামে হারিয়ে যাওয়া খেলা
সাঙ্গ হোত তখন সন্ধ্যা বেলা ।
এমনি করে কাটতো যদি দিন
নৌকা যদি না ডুবতো ঝরে
বয়স যদি থমকে যেতো
আর না বেড়ে, বলতো কেমন হতো ?
আবার যদি পাই ফিরে সেদিন
আবার যদি ডাকি ওমন করে
দিবি সারা
সব ভাবনা ছেড়ে
ভাসবি অথৈ জলে ভরসা করে?
“আবার যদি ডাকি”
পরেশ নাথ কোনার
আবার যদি ডাকি তোর নাম ধরে
নীচু স্বরে ভর দুপুরে
তুই তখন জানালা খুলে আগের মতো
দিবি সারা হাসি মুখে?
তোর ভয় মেশানো মুখ
এদিক ওদিক চাওয়া
ইশারাতে জানাতিস সম্মতি ,
আমি ধীর পায়ে নদীর ধারে এসে
বসি ,তোর পথ চেয়ে
মাপি জলের গতি।
সেকেন্ড মিনিট যেন কত সময়
সেকেন্ড নয়তো যেন ঘন্টা
হু হু কর বইছে বাতাস সঙ্গে বাড়ে উৎকণ্ঠা
পড়লি বুঝি মায়ের হাতে ধরা
এই দুপুরে সবাই যখন জিরোয়
মা ছাড়া,মা রা কেন এমন হয় বলতো
সৃষ্টি ছাড়া!
চারিদিকে শুনশান
বইছে গরম হাওয়া
পড়ছে ঝরে একটা দুটো শুকনো পাতা
গামছা মাথায় শুয়ে গাছের ছায়ায়
পথিক , জলের মধ্যে লেজ ডুবিয়ে কুকুর,
অলস সে দুপুর
বন্দী সবাই ঘরে আগুন ঝরে পড়ে
প্রেমিক পাগল যারা
আমার মতো ছন্নছাড়া
এই দুপুরে তারাই অভিসারে।
হাতে নোটের খাতা
রাণুর বাড়ি যেতে হবে রাণু দিচ্ছে তাড়া
স্নেহে অন্ধ বোকা মা দিতেন অনুমতি
পাছে পড়ার হয় ক্ষতি।
পড়ার কোন সময় হয় নাকি
ফেল তো করে তারা যারা সময় দেখে
পড়ায় দেয় ফাঁকি।
খুঁটোয় বাঁধা বাছুর
পেয়েছে ছাড়া দে দৌড় দে দৌড়
সো-ও–জা নদীর ঘাট
সেথায় বসে বড় লাট
নৌকা চড়ে হারিয়ে যেতাম দূর দূর দেশে
যেথায় কেউ চেনে না ছিল না কোন ভয়
শুধু তুই আর আমি অথৈ জলে
তখন কে ভেবেছে কী হবে
হঠাৎ করে ঝড় বৃষ্টি এলে।
নদীর জলে ছোট্ট ছোট্ট ঢেউ
দুজনেতে হারিয়ে যেতাম টের পেতো না কেউ
পড়ার নামে হারিয়ে যাওয়া খেলা
সাঙ্গ হোত তখন সন্ধ্যা বেলা ।
এমনি করে কাটতো যদি দিন
নৌকা যদি না ডুবতো ঝরে
বয়স যদি থমকে যেতো
আর না বেড়ে, বলতো কেমন হতো ?
আবার যদি পাই ফিরে সেদিন
আবার যদি ডাকি ওমন করে
দিবি সারা
সব ভাবনা ছেড়ে
ভাসবি অথৈ জলে ভরসা করে?